মায়ের মতো মা – কবি জি এম আশরাফুল হক এমন তো কথা ছিল না মা বলেছিলে দেখা হবে, কোন একটি বিদায়ের দিনে অশ্রুতে ভেসে সবে! তোমার প্রিয়তম যাবার কালে নিজে
আর কি তরী উজান যাবে!, বাউল কার্তিক উদাস আর কি তরী উজান যাবে! ভাটির টানে ধায় (তবু) অবুঝ নাইয়া বইছে রে হাল ভব দরিয়ায় ।। খসলো বুঝি নায়ের তলা-
চোখ থাকিতে হইলাম এখন কানা রে গীতিকারঃ কার্তিক উদাস চোখ থাকিতে হইলাম এখন কানা রে। পরের নারী পরের বাড়ি নিলো তোমার নজর কাড়ি’ ঠুনকো রঙের চটকদারি দেখতে এবার মানা
নাতে রাসুল (সাঃ) কবি এম,আর,আউয়াল (বি,এ) মদিনা শরীফে যাব -আমি ভাবছি মনে (২), পাক পবিত্র ধুলো মাখবো-নাপাক বদনে (২)।। ঐ।। ১// মদিনা শরীফের মাটি -বুকেতে ধরিব আটি (২), চুমু
{প্রাক-কথন ইতিহাসের ললাটে একাত্তর আমাদের অমর মহাকাব্য—একটি জাতির জন্মের রক্তিম আখ্যান। আর চব্বিশের জুলাই সেই মহাকাব্যের পথ ধরে হেঁটে চলা উত্তরসূরিদের এক সাহসী আত্মশুদ্ধি। একটি আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তি, অন্যটি
“শৈশব টা ফিরে দেখা” —সেলিনা সাথী শৈশব থেকে ঘুরে আসি, ভাই–বোনেরা চলো, বয়সটাকে পিছনে ঠেলে মনের কথা বলো। মায়ের হাতের ভাপা পিঠা, গুড়ের সাথে মুড়ি মাখা— ছড়িয়ে দিত আলো,
ওলী আওলিয়াদের দরবার: প্রেম, ভক্তি ও আত্মশুদ্ধির অনন্য পাঠশালা, অধম হোসেন বাংলার আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যে ওলী–আওলিয়াদের দরবার এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। বিশ্বের প্রতিটি ওলী আওলিয়ার দরবারে সারাবছর জুড়ে
বাউলবিচ্ছেদী গীতিকারঃ বাউল কার্তিক উদাস মনের আশা, যাই নিতাইপুরে, (গুরু) অন্ধকারে ধন্ধকারে মরি অচিন পথে ঘুরে, কেবল চিন্তা-পোকায় খায় কুড়ে।। তুমি আমায় দাও পথের দিশা – অভয়চরণ পাইলে দয়াল
ভারতের সুলতান গো বাবা, মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী ১৭/১২/২০২৫ইং ঘোড়াপীর, সাভার, ঢাকা । ভারতের সুলতান গো বাবা হিন্দেরী সুলতান আজমেরী খাজা বাবা ভারতের সুলতান || বাবা, আজমিরে ঘুমাইয়া আছে
ঘরে মানুষ বাইরে মানুষ গীতিকার বাউল কার্তিক উদাস ঘরে মানুষ বাইরে মানুষ মানুষের- ই মেলা তবু তো ভাই চিনতে মানুষ গেলো আমার বেলা।। নানা রঙের মানুষ দেখি বিচিত্র যে