আজ আমার ঈদ এম ডি হোসাইন মাইজভান্ডারি আজ আমার ঈদ আমি গাইবো প্রেমের গীত নেচে গেয়ে প্রেম আনন্দে হইবো মোরা প্রীত প্রাণে ডাকে বান প্রাণ আনন্দে গায় গান হুর
ধর্মের সর্বনাশ গীতিকারঃ স্বপন শাহ্ শ্যামলাপুরী মাজার ভাংছে মানুষ পুড়ছে, ওরা পুড়ছে আবার লাশ, মনুষ্যত্ব মানবতা দিছে নির্বাসনে, চলছে শয়তানের উল্লাস || মাজার ভাঙ্গে মন্দিরে যায়, করে যে গীতা
অপমানের কষ্টিপাথর: মাদক মুক্তির আখ্যান -আশরাফুল আলম তাজ নিবিড় তিমিরে ঢাকা প্রভাতের ললাট-কপাল, নেশার নখরে আজ জীর্ণ শহরের মহাকাল। সোনালি স্বপ্নরা সব মোহের বিষাক্ত ছায়া মাখে, জীবনের আলো লুপ্ত,
বেঁচে থাকা বাঁচিয়ে রাখা —– সেলিনা সাথী বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাকে দিয়েছিলাম কবর, বাঁচিয়ে রাখার আকাঙ্খাটাই করে ছিলাম খবর। আমারও তো আবেগ ছিল ছিল অনুভূতি, অনুভবের বেড়াজালে লিখেছিলাম গীতি। মহাসুখে
আমি চলে গেলে গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির আমি চলে গেলে কারো কোনো ক্ষতি হবে না আমার আশায় কেউ দিন গুনবে না! পৃথিবী আগে মতোই চলবে অবিরাম আমার জন্য ঝরবে
মূর্খ সূফী কবি শামীম রেজভী মূর্খ দেশে মূর্খ কিছু আলেম, নামের জালেম, পতিতালয় জায়েজ বানাই মাজার হয় প্রবলেম। সুদকে তারা হালাল বানাই মাজারকে করে হারাম, বেশ্যা পাড়ায় যাই মৌলবি
মাটির মালেক এম ডি নয়ন মাটির মালেক সাদামাটা আমিত্বে উড়ায়নি পাল, অভাবে তার তৃপ্ত হাসি বিছিয়ে মায়ার জাল। সূর্য অস্তে বেহাল দশা তিনে হারালো কূল, দুইয়ে আমিত্বে মজে মালেক
অপেক্ষার প্রদীপ ঈশা খন্দকার অন্ধকারে জ্বালিয়েছিলাম সাঁঝের সেই প্রদীপ। সাঁঝের প্রদীপ ফুড়িয়ে এলো, অন্ধকার হেরিয়ে ভোর হলো, দ্বিপ্তীমান রবি আমায় প্রশ্ন করলো, মিলবে কি দেখা তোমার প্রিয়’র? অপেক্ষার প্রদীপ
ইসরাত জেরীন এর দুটি কবিতা ( কলকাতা থেকে) জোড় করে ভালবাসা হয়না নির্জন কক্ষে একাকীত্বে কেঁদেছি, শব্দবিহীন এই আমি। দূরে কোন মসজিদের আজানের ধ্বনি কানে আসতেই সম্বিৎ ফেরে আমার।
কান্দে হোসেন মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী ১১/১০/২০১৬ তোয়াজ , সিঙ্গাপুর কান্দে হোসেন কারবালায় কোন দোষে মারবি তোরা আমায় ॥ কি জব দিবি যাইয়া রে তোরা আল্লাহর দরবারে কি জব