1. admin@amaderchannel.online : admin :
  2. nnsabiha@gmail.com : Sabiha Akter : Sabiha Akter
  3. glil.ashulia@gmail.com : Bismillah Rafsan : Bismillah Rafsan
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জীবন্ত কিংবদন্তি জনাব আমীর উদ্দিন মামার অমর সৃষ্টির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা অবিরাম, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী গানে, প্রেমে, জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ১০), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী গানে, প্রেমে, জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ১২), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী কুমিল্লা দেবিদ্বারে শোহাদায়ে কারবালা স্মরণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, মনির ভান্ডারী সিঙ্গাপুর ইস্কান্দার শাহ রহঃ এর মাজার শরীফ, মহররম হোসেন নজরুলীয়া কণ্ঠ, সূফী কালামের এক ঐশী উত্তরাধিকার, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী বেলায়েত দিবস, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী মানবদেহে নূরের খবর জানার সৌভাগ‍্য কি মানবজীবনে সবার হয়, আল্লামা হানিফ নূরী পীর সাহেব রং বেরঙের ভালোবাসা, সুফি গবেষক মোবারক হোসেন মুরাদ নবী রাসুল, ওলীগনের সাথে বেয়াদবির ফলাফল হয় ভয়ঙ্কর, আল্লামা হানিফ নূরী পীর সাহেব
ব্রেকিং নিউজ:
জীবন্ত কিংবদন্তি জনাব আমীর উদ্দিন মামার অমর সৃষ্টির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা অবিরাম, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী গানে, প্রেমে, জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ১০), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী গানে, প্রেমে, জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ১২), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী কুমিল্লা দেবিদ্বারে শোহাদায়ে কারবালা স্মরণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, মনির ভান্ডারী সিঙ্গাপুর ইস্কান্দার শাহ রহঃ এর মাজার শরীফ, মহররম হোসেন নজরুলীয়া কণ্ঠ, সূফী কালামের এক ঐশী উত্তরাধিকার, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী বেলায়েত দিবস, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী মানবদেহে নূরের খবর জানার সৌভাগ‍্য কি মানবজীবনে সবার হয়, আল্লামা হানিফ নূরী পীর সাহেব রং বেরঙের ভালোবাসা, সুফি গবেষক মোবারক হোসেন মুরাদ নবী রাসুল, ওলীগনের সাথে বেয়াদবির ফলাফল হয় ভয়ঙ্কর, আল্লামা হানিফ নূরী পীর সাহেব
আজ ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২০শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি , ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মাজার সংস্কৃতিতে আঘাত: কোন পথে যাচ্ছে আমাদের সহনশীলতা? কাইয়ুম সরকার

  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
  • ১৫৮ Time View

 

মাজার সংস্কৃতিতে আঘাত: কোন পথে যাচ্ছে আমাদের সহনশীলতা? – কাইয়ুম সরকার

সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার মিরপুরের হযরত শাহ আলী বোগদাদী (র.)-এর মাজারসহ দেশের বেশ কয়েকটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা আমাদের গভীরভাবে শঙ্কিত করেছে। যে সমাজ শত শত বছর ধরে সুফি-সাধকদের উদার নৈতিকতা, পরমতসহিষ্ণুতা এবং বহুত্ববাদী সংস্কৃতির ওপর দাঁড়িয়ে বিকশিত হয়েছে, সেখানে হঠাৎ এই ধরনের সহিংসতা কোনো সাধারণ বিশৃঙ্খলা নয়; বরং এটি আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তিমূলে এক বড় ধরনের আঘাত।
হযরত শাহ আলী (র.)-এর মাজার কেবল কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর উপাসনালয় নয়। এটি ঢাকার অন্যতম প্রাচীন এক ঐতিহাসিক স্মারক এবং সব ধর্মের, সব শ্রেণির মানুষের এক পরম আশ্রয়স্থল। সুফিবাদের মূল বাণীই হলো মানবপ্রেম, অহিংসা ও স্রষ্টার প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ। এই সুফি ধারার হাত ধরেই এ দেশের বুকে ইসলামের উদার ও মানবিক বাণী ছড়িয়ে পড়েছিল। আজ যখন সেই মাজারগুলোর ওপর হামলা চালানো হয়, তখন তা কেবল ইটের দেয়াল ভাঙা নয়, তা মূলত বাঙালির হাজার বছরের সম্প্রীতির ইতিহাসকে চূর্ণ করার এক অপচেষ্টা।
কোনো একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিভিন্ন ধর্ম, মত ও বিশ্বাসের মানুষ থাকবে—এটাই স্বাভাবিক। কারো যদি কোনো বিশেষ আচার বা বিশ্বাসের সাথে দ্বিমত থাকে, তবে তা নিয়ে তাত্ত্বিক বিতর্ক হতে পারে, আলোচনা হতে পারে। কিন্তু কোনো মতেই লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করা, ভাঙচুর করা বা অগ্নিসংযোগ করা কোনো সুস্থ ও সভ্য সমাজের লক্ষণ হতে পারে না। পবিত্র ইসলাম ধর্ম কোনোভাবেই অন্যের উপাসনালয় বা ধর্মীয় স্থানে আঘাত করা সমর্থন করে না। ফলে, যারা ইসলামের দোহাই দিয়ে এই ধরনের ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হচ্ছে, তারা প্রকৃতপক্ষে ধর্মের কোনো কল্যাণ করছে না; বরং ধর্মকে এক ধরনের উগ্রতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
এই মাজার সংস্কৃতি কেবল ধর্মীয় বিশ্বাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর সাথে জড়িয়ে আছে আমাদের লোক-ঐতিহ্য, গান, সুফি দর্শন এবং প্রান্তিক মানুষের মনস্তাত্ত্বিক স্বস্তি। বহু বাউল, সাধক ও সাধারণ মানুষ এই স্থানগুলোকে কেন্দ্র করে তাদের জীবন ও সংস্কৃতির চর্চা করেন। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে এই ঐতিহ্যগুলোকে ধ্বংস করার অধিকার কারো নেই।
আমরা একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন এবং মানবিক রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখছি। কিন্তু মনের ভেতর উগ্রতা আর হিংসা পুষে রেখে কখনো একটি উন্নত সমাজ গঠন সম্ভব নয়। শাহ আলীর মাজারসহ দেশের অন্যান্য মাজারে যারা এই ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে, তাদের অনতিবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
একই সাথে, সমাজের সচেতন নাগরিক, সুফীদের এবং সাংস্কৃতিক কর্মীদের এক হয়ে এই উগ্রবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, বিশ্বাসের বৈচিত্র্যই এ দেশের সৌন্দর্য। এই সৌন্দর্যকে রক্ষা করতে না পারলে, আমরা আমাদের আত্মপরিচয়ই হারিয়ে ফেলব। রাষ্ট্র ও প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন—অনতিবিলম্বে দেশের সকল মাজার ও ধর্মীয় ঐতিহাসিক স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক এবং সম্প্রীতির এই বাংলায় যেকোনো মূল্যে পরমতসহিষ্ণুতার পরিবেশ বজায় রাখা হোক।

কাইয়ুম সরকার
আইন শিক্ষার্থী ও সূফী গবেষক
বিভাগীয় সম্পাদক, আমাদের শিশুমেলা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2024 আমাদের চ্যানেল
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: CloudVai-ক্লাউড ভাই