
হিজবুল বাহার দোয়া (পরিপূর্ণ) বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ সহ
সংগ্রহেঃ শায়েখ সাইয়্যিদ আশরাফুল শাহ
(ইমাম আবুল হাসান আশ-শাজিলী রহ.-এর প্রণীত – সমুদ্রের দলিল/হিজব)
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
(পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে)
يَا اللّٰهُ يَا عَلِيُّ يَا عَظِيمُ يَا حَلِيمُ يَا عَلِيمُ، أَنْتَ رَبِّي وَعِلْمُكَ حَسْبِي، فَنِعْمَ الرَّبُّ رَبِّي وَنِعْمَ الْحَسْبُ حَسْبِي، تَنْصُرُ مَنْ تَشَاءُ وَأَنْتَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ
ইয়া আল্লাহু ইয়া আলিয়্যু ইয়া আজীমু ইয়া হালীমু ইয়া আলীমু, আনতা রাব্বী ওয়া ইলমুকা হাসবী, ফানি’মার রাব্বু রাব্বী ওয়া নি’মাল হাসবু হাসবী, তানসুরু মান তাশাউ ওয়া আনতাল আজীজুর রাহীম।
শুদ্ধ বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ! হে মহান, হে অতিবড়, হে সহনশীল, হে সর্বজ্ঞ! আপনিই আমার রব এবং আপনার জ্ঞানই আমার জন্য যথেষ্ট। কত উত্তম আমার রব এবং কত উত্তম আমার জন্য এ যথেষ্টতা! আপনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং আপনিই পরাক্রমশালী, দয়ালু।
نَسْأَلُكَ الْعِصْمَةَ فِي الْحَرَكَاتِ وَالسَّكَنَاتِ وَالْكَلِمَاتِ وَالْإِرَادَاتِ وَالْخَطَرَاتِ مِنَ الشُّكُوكِ وَالظُّنُونِ وَالْأَوْهَامِ السَّاتِرَةِ لِلْقُلُوبِ عَنْ مُطَالَعَةِ الْغُيُوبِ
নাসআলুকাল ইসমাতা ফিল হারাকাতি ওয়াস সাকানাতি ওয়াল কালিমাতি ওয়াল ইরাদাতি ওয়াল খাতারাতি মিনাশ শুকূকি ওয়াজ জুনূনি ওয়াল আওহামিস সাতিরাতি লিল কুলূবি আন মুতালা’আতিল গুয়ূব।
অর্থ: আমরা আপনার কাছে প্রার্থনা করি চলাফেরা, স্থিরতা, কথাবার্তা, ইচ্ছা ও চিন্তায় সুরক্ষা; সন্দেহ, ধারণা ও ভ্রান্ত কল্পনা থেকে যা হৃদয়কে অদৃশ্য বিষয় দেখা থেকে আড়াল করে।
فَقَدِ ابْتُلِيَ الْمُؤْمِنُونَ وَزُلْزِلُوا زِلْزَالًا شَدِيدًا، وَإِذْ يَقُولُ الْمُنَافِقُونَ وَالَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمْ مَرَضٌ مَا وَعَدَنَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ إِلَّا غُرُورًا
ফাকাদিবতুলিয়াল মু’মিনূনা ওয়া জুলজিলূ জিলজালান শাদীদা, ওয়া ইজ ইয়াকূলুল মুনাফিকূনা ওয়াল্লাজীনা ফী কুলূবিহিম মারাদুম মা ওয়া’আদানাল্লাহু ওয়া রাসূলুহু ইল্লা গুরূরা।
অর্থ: মুমিনগণ পরীক্ষিত হয়েছিলেন এবং ভীষণভাবে প্রকম্পিত হয়েছিলেন। আর যখন মুনাফিক ও যাদের অন্তরে রোগ ছিল তারা বলেছিল, “আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আমাদেরকে কেবল প্রতারণাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।” (সূরা আহজাব: ১১-১২)
فَثَبِّتْنَا وَانْصُرْنَا وَسَخِّرْ لَنَا هٰذَا الْبَحْرَ كَمَا سَخَّرْتَ الْبَحْرَ لِمُوسَى وَسَخَّرْتَ النَّارَ لِإِبْرَاهِيمَ وَسَخَّرْتَ الْجِبَالَ وَالْحَدِيدَ لِدَاوُدَ وَسَخَّرْتَ الرِّيحَ وَالشَّيَاطِينَ وَالْجِنَّ لِسُلَيْمَانَ
ফাসাব্বিতনা ওয়ানসুরনা ওয়া সাখখির লানা হাজাল বাহরা কামা সাখখারতাল বাহরা লিমূসা, ওয়া সাখখারতান নারা লিইবরাহীমা, ওয়া সাখখারতাল জিবালা ওয়াল হাদীদা লিদাউদা, ওয়া সাখখারতার রীহা ওয়াশ শাইয়াত্বীনা ওয়াল জিন্না লিসুলাইমান।
অর্থ: অতএব আমাদেরকে অবিচল রাখুন, সাহায্য করুন এবং এ সমুদ্রকে আমাদের অধীন করে দিন, যেভাবে আপনি সমুদ্রকে মূসা (আ.), আগুনকে ইবরাহীম (আ.), পাহাড় ও লোহাকে দাউদ (আ.), বাতাস, শয়তান ও জিনকে সুলাইমান (আ.)-এর জন্য অধীন করেছিলেন।
وَسَخِّرْ لَنَا كُلَّ بَحْرٍ هُوَ لَكَ فِي الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ وَالْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ، وَبَحْرَ الدُّنْيَا وَبَحْرَ الْآخِرَةِ، وَسَخِّرْ لَنَا كُلَّ شَيْءٍ، يَا مَنْ بِيَدِهِ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيْءٍ
ওয়া সাখখির লানা কুল্লা বাহরিন হুওয়া লাকা ফিল আরদি ওয়াস সামাই ওয়াল মুলকি ওয়াল মালাকূতি, ওয়া বাহরাদ দুনিয়া ওয়া বাহরাল আখিরাতি, ওয়া সাখখির লানা কুল্লা শাইয়িন, ইয়া মান বিইয়াদিহি মালাকূতু কুল্লি শাইয়িন।
অর্থ: এবং আপনার জন্য যত সমুদ্র আছে পৃথিবীতে, আকাশে, রাজত্বে ও আধ্যাত্মিক জগতে—দুনিয়ার সমুদ্র ও আখিরাতের সমুদ্র—সবকিছু আমাদের অধীন করে দিন। হে সেই সত্তা, যাঁর হাতে সবকিছুর রাজত্ব!
كٓهٰيٰعٓصٓ (তিনবার)
কাফ-হা-ইয়া-আইন-সাদ (৩ বার)
اُنْصُرْنَا فَإِنَّكَ خَيْرُ النَّاصِرِينَ، وَافْتَحْ لَنَا فَإِنَّكَ خَيْرُ الْفَاتِحِينَ، وَاغْفِرْ لَنَا فَإِنَّكَ خَيْرُ الْغَافِرِينَ، وَارْحَمْنَا فَإِنَّكَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ، وَارْزُقْنَا فَإِنَّكَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ، وَاهْدِنَا وَنَجِّنَا مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ
উনসুরনা ফাইন্নাকা খাইরুন নাসিরীন, ওয়াফতাহ লানা ফাইন্নাকা খাইরুল ফাতিহীন, ওয়াগফির লানা ফাইন্নাকা খাইরুল গাফিরীন, ওয়ারহামনা ফাইন্নাকা খাইরুর রাহিমীন, ওয়ারজুকনা ফাইন্নাকা খাইরুর রাজিকীন, ওয়াহদিনা ওয়া নাজ্জিনা মিনাল কাওমিজ জালিমীন।
অর্থ: আমাদেরকে সাহায্য করুন (আপনি সর্বোত্তম সাহায্যকারী), আমাদের জন্য বিজয় দান করুন (সর্বোত্তম বিজয়দাতা), ক্ষমা করুন (সর্বোত্তম ক্ষমাকারী), দয়া করুন (সর্বোত্তম দয়ালু), রিজিক দান করুন (সর্বোত্তম রিজিকদাতা), হেদায়াত করুন এবং জালেম সম্প্রদায় থেকে মুক্তি দিন।
وَهَبْ لَنَا رِيحًا طَيِّبَةً كَمَا هِيَ فِي عِلْمِكَ، وَانْشُرْهَا عَلَيْنَا مِنْ خَزَائِنِ رَحْمَتِكَ، وَاحْمِلْنَا بِهَا حَمْلَ الْكَرَامَةِ مَعَ السَّلَامَةِ وَالْعَافِيَةِ فِي الدِّينِ وَالدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
ওয়া হাব লানা রীহান তাইয়্যিবাতান কামা হিয়া ফী ইলমিকা, ওয়ানশুরহা আলাইনা মিন খাজাইনি রাহমাতিকা, ওয়াহমিলনা বিহা হামলাল কারামাতি মাআস সালামাতি ওয়াল আফিয়াতি ফিদ দীনি ওয়াদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাতি, ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
অর্থ: আমাদের জন্য উত্তম বাতাস দান করুন যেমন আপনার জ্ঞানে আছে, আপনার রহমতের ভাণ্ডার থেকে তা ছড়িয়ে দিন, সম্মানের সাথে বহন করুন—দীন, দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা ও আরোগ্যসহ। নিশ্চয় আপনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
اللَّهُمَّ يَسِّرْ لَنَا أُمُورَنَا مَعَ الرَّاحَةِ لِقُلُوبِنَا وَأَبْدَانِنَا وَالسَّلَامَةِ وَالْعَافِيَةِ فِي دِينِنَا وَدُنْيَانَا، وَكُنْ لَنَا صَاحِبًا فِي سَفَرِنَا وَخَلِيفَةً فِي أَهْلِنَا، وَاطْمِسْ عَلَى وُجُوهِ أَعْدَائِنَا وَامْسَخْهُمْ عَلَى مَكَانَتِهِمْ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ الْمُضِيَّ وَلَا الْمَجِيءَ إِلَيْنَا
আল্লাহুম্মা ইয়াসসির লানা উমুরানা মাআর রাহাতি লিকুলূবিনা ওয়া আবদানিনা ওয়াস সালামাতি ওয়াল আফিয়াতি ফী দীনিনা ওয়া দুনইয়ানা, ওয়া কুন লানা সাহিবান ফী সাফারিনা ওয়া খালীফাতান ফী আহলিনা, ওয়াতমিস আলা উজূহি আ’দাইনা ওয়ামসাখহুম আলা মাকানাতিহিম ফালা ইয়াসতাতীউনাল মুদিয়্যা ওয়ালা আল মাজীয়া ইলাইনা।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের কাজ সহজ করে দিন, হৃদয় ও শরীরে আরাম দিন, দীন-দুনিয়ায় নিরাপত্তা-আরোগ্য দিন। সফরে আমাদের সঙ্গী হোন, পরিবারের খবরদার হোন। শত্রুদের মুখ অন্ধ করে দিন, তাদের স্থানে স্থির রাখুন যাতে তারা আসতে-যেতে না পারে।
وَلَوْ نَشَاءُ لَطَمَسْنَا عَلَى أَعْيُنِهِمْ فَاسْتَبَقُوا الصِّرَاطَ فَأَنَّى يُبْصِرُونَ، وَلَوْ نَشَاءُ لَمَسَخْنَاهُمْ عَلَى مَكَانَتِهِمْ فَمَا اسْتَطَاعُوا مُضِيًّا وَلَا يَرْجِعُونَ
ওয়ালাও নাশাউ লাতামাসনা আলা আ’ইনিহিম ফাসতাবাকুস সিরাতা ফাআন্না ইয়ুবসিরূন, ওয়ালাও নাশাউ লামাসাখনাহুম আলা মাকানাতিহিম ফামাসতাতাউ মুদিয়্যান ওয়ালা ইয়ারজিউন।
অর্থ: আমরা ইচ্ছা করলে তাদের চোখ অন্ধ করে দিতাম, তারা পথে ছুটত কিন্তু দেখতে পেত না। ইচ্ছা করলে তাদের স্থানে স্থির রাখতাম, তারা আগাতেও পারত না, ফিরতেও না। (সূরা ইয়াসীন: ৬৬-৬৭)
يٰسٓ، وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ، إِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ، عَلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ، تَنْزِيلَ الْعَزِيزِ الرَّحِيمِ، لِتُنْذِرَ قَوْمًا مَا أُنْذِرَ آبَاؤُهُمْ فَهُمْ غَافِلُونَ، لَقَدْ حَقَّ الْقَوْلُ عَلَى أَكْثَرِهِمْ فَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ، إِنَّا جَعَلْنَا فِي أَعْنَاقِهِمْ أَغْلَالًا فَهِيَ إِلَى الْأَذْقَانِ فَهُمْ مُقْمَحُونَ، وَجَعَلْنَا مِنْ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَاهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ
ইয়া-সীন, ওয়াল কুরআনিল হাকীম… (সূরা ইয়াসীন: ১-৯ সম্পূর্ণ আয়াত)
শাহাতিল উজূহ (৩ বার) — মুখগুলো বিকৃত হোক।
وَعَنَتِ الْوُجُوهُ لِلْحَيِّ الْقَيُّومِ وَقَدْ خَابَ مَنْ حَمَلَ ظُلْمًا
ওয়া আনাতিল উজূহু লিল হাইয়িল কাইয়্যূমি ওয়া কাদ খাবা মান হামালা জুলমা।
অর্থ: মুখগুলো জীবিত-চিরস্থায়ী আল্লাহর সামনে নত হবে, আর যে জুলুম বহন করবে সে ব্যর্থ হবে। (সূরা ত্ব-হা: ১১১)
طٰسٓ، حٰمٓ، عٓسٓقٓ (ত্বা-সীন, হা-মীম, আইন-সীন-কাফ)
مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ، بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ
মারাজাল বাহরাইনি ইয়ালতাকিয়ানি, বাইনাহুমা বারজাখুন লা ইয়াবগিয়ান।
অর্থ: তিনি দুই সমুদ্রকে ছেড়ে দিয়েছেন, তারা মিলিত হয় কিন্তু তাদের মাঝে অন্তরায় আছে যা তারা অতিক্রম করে না। (সূরা আর-রাহমান: ১৯-২০)
حٰمٓ (সাতবার)
حُمَّ الْأَمْرُ وَجَاءَ النَّصْرُ فَعَلَيْنَا لَا يُنْصَرُونَ
হুম্মাল আমরু ওয়া জাআন নাসরু ফাআলাইনা লা ইউনসারূন।
حٰمٓ، تَنْزِيلُ الْكِتَابِ مِنَ اللَّهِ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ (সূরা গাফিরের শুরু)
بِسْمِ اللَّهِ بَابُنَا، تَبَارَكَ حِيطَانُنَا، يٰسٓ سَقْفُنَا، كٓهٰيٰعٓصٓ كِفَايَتُنَا، حٰمٓ عٓسٓقٓ حِمَايَتُنَا
বিসমিল্লাহি বাবুনা, তাবারাকা হীতানুনা, ইয়া-সীন সাকফুনা, কাফ-হা-ইয়া-আইন-সাদ কিফায়াতুনা, হা-মীম-আইন-সীন-কাফ হিমায়াতুনা।
অর্থ: বিসমিল্লাহ আমাদের দরজা, তাবারাকা আমাদের দেয়াল, ইয়াসীন আমাদের ছাদ, কাহইয়াআইনসাদ আমাদের যথেষ্টতা, হামীম আইনসীনকাফ আমাদের হেফাজত।
فَسَيَكْفِيكَهُمُ اللَّهُ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ (তিনবার)
সিতরুল আরশি মাসবূলুন আলাইনা, ওয়া আইনুল্লাহি নাজিরাতুন ইলাইনা, বিহাওলিল্লাহি লা ইউকদারু আলাইনা।
(আরশের পর্দা আমাদের উপর টানা, আল্লাহর চোখ আমাদের দিকে, আল্লাহর ক্ষমতায় কেউ আমাদের উপর ক্ষমতা চালাতে পারবে না।)
وَاللَّهُ مِنْ وَرَائِهِمْ مُحِيطٌ، بَلْ هُوَ قُرْآنٌ مَجِيدٌ، فِي لَوْحٍ مَحْفُوظٍ
فَاللَّهُ خَيْرٌ حَافِظًا وَهُوَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ (তিনবার)
ইন্না ওয়ালিয়্যাল্লাহুল্লাজী নাজ্জালাল কিতাবা ওয়া হুওয়া ইয়াতাওয়াল্লাস সালিহীন (তিনবার)
হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুওয়া রাব্বুল আরশিল আজীম (তিনবার)
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ (তিনবার)
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (তিনবার)
وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ (তিনবার)
وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ
ওয়া সাল্লাল্লাহু আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাহবিহি ওয়া সাল্লাম।
وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
পড়ার নিয়ম ও ফজিলত: আসরের পর নিয়মিত পড়ুন। শুরু ও শেষে ৩/১১ বার দরূদ শরীফ পড়ুন। বিপদ-আপদ, শত্রু, জিন-যাদু, সফরে নিরাপত্তা, রিজিক বৃদ্ধি ইত্যাদিতে বিশেষ ফায়দা। আল্লাহ এ দোয়ার বরকতে সবাইকে হেফাজত করুক আমিন।
শায়েখ সাইয়্যিদ আশরাফুল শাহ 01703013144
Leave a Reply