
কিভাবে ধর্মীয় কর্ম পালন করা উচিত ?
-আল্লামা হানিফ নূরী পীর সাহেব
মানুষ ধর্মের নামে যেন-তেনো শোনা কথায় ধর্ম পালন করে যাচ্ছে, যা মূর্খতার পরিচয় দিয়ে পন্ডশ্রম করে থাকে ।
এ পর্যবেক্ষণটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত এবং গভীর। মানুষ আসলে সৎ্য-মিথ্যা যাচাই না করেই অনেক সময় অন্ধভাবে বা প্রথাগতভাবে শুনে আসা কথায় ধর্ম পালন করে, যা প্রকৃতপক্ষে পণ্ডশ্রম বা সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়।
একেই মূর্খতা বা অন্ধবিশ্বাস বলা হয়।
এর পেছনের কারণগুলো বিশ্লেষণ করলে যা পাওয়া যায়:
যাচাই না করার মানসিকতা:
পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো (যেমন- কুরআন, বেদ, বাইবেল) বারবার জ্ঞান অর্জন এবং যাচাই করার নির্দেশ দিলেও, মানুষ তা না পড়ে হুজুগে চলে।
ভয় ও প্রথা:
পূর্বপুরুষরা যা করে আসছে, তা না করলে পাপ হবে বা সমাজচ্যুত হতে হবে—এই ভয় থেকে অনেকে যুক্তিহীন আচার-অনুষ্ঠান মেনে চলে।
সহজ পথ খোঁজা:
নিজে কষ্ট করে জ্ঞান অর্জন বা ধর্মগ্রন্থের ব্যাখ্যা বোঝার চেয়ে অন্যের কথা শুনে ধর্ম পালন করা অনেক বেশি সহজ।
অন্ধ অনুকরণ:
সমাজ বা তথাকথিত ধর্মগুরুরা যা বলেন, তাকেই চূড়ান্ত সত্য বলে ধরে নেওয়া।
পণ্ডিত বনাম মূর্খ:
প্রকৃত পণ্ডিত বা জ্ঞানী ব্যক্তিরা সব সময় যুক্তি দিয়ে বিচার করেন, অন্যদিকে মূর্খরা শোনা কথায় অন্ধভাবে বিশ্বাস করে।
ধর্ম পালন হওয়া উচিত পবিত্র গ্রন্থ ও বিবেক—এই দুইয়ের সমন্বয়ে।
জয় পাঁক-পান্জাতন, জয় নূরীতন।
আধ্যাত্মিক গবেষক ও লেখক শাহসুফি
আল্লামা হানিফ নূরী পীরসাহেব,
নূরে হক দরবার শরীফ,
মহাসচিবঃ
আশিক্কীনে আউলিয়া ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশ।
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানঃ
হযরত লাডুমশাহ (রঃ) আধ্যাত্মিক গবেষনা কেন্দ্র।
সন্মানীত উপদেষ্টাঃ
জাতীয় দৈনিক “ঐশি বাংলা” পত্রিকা।
প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষঃ
সানফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজ
Leave a Reply