মাঞ্জু শাহ্ সংগীত প্রচারেঃ গীতিকার রবিউল আওয়াল মন চক্ষু ফুটে গেলে (২) দেখবি গুরু তোর খাঁচায় ~ গুরুর আয়না হাতে লয়ে -বসে থাক এক জাগায়।। ঐ।। খাঁচার ভিতর কোঠায়
শানে শাফাই শাহ্ গীতিকারঃ শাহ ইকবাল হোসাইন শাফাই শাহ্ আউলিয়া বাবা জিন্দা ওলি ভক্ত গনের মাঝে তুমি ফুটন্ত কলি তোমার প্রেমে পাগল হইয়া ছাড়ি লাম ঘর।। ঐ নিসন্তান মা সন্তান
শাফাই শাহ্’র শান গীতিকারঃ শাহ্ ইকবাল হোসাইন শাফাই শাহ্ ওলি তুমি জিন্দা আউলিয়া সুলতান পুর এসে ইসলামের নিশান উড়াইলা।।ঐ শাফাই শাহ্ আউলিয়া তুমি করিলা ইসলাম জারি ৩৬০ জনের সঙ্গী
মাঞ্জু শাহ্ সংগীত – গীতিকার সাধক মঞ্জু শাহ্ মানুষে মানুষ ডাকিয়া – মানুষ পাইলে খোদারই শান। মানুষের জন্য খোদায় ফেরেশতায় (২) দরুদ ছালামে হয় পেরেশান।। ঐ গুপ্ত খোদা প্রেম
আপন হইয়া যাই মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী ০৩/১১/২০২৫ইং, কুরগাঁও, সাভার, ঢাকা। আসুন, তরিকতের ভাই আপন আপন মুর্শিদ প্রেমে আমরা, আপন হইয়া যাই || তাকাব্বরী বাহাদুরী সবই একদিন যবো ছাড়ি
আজ আমার ঈদ এম ডি হোসাইন মাইজভান্ডারি আজ আমার ঈদ আমি গাইবো প্রেমের গীত নেচে গেয়ে প্রেম আনন্দে হইবো মোরা প্রীত প্রাণে ডাকে বান প্রাণ আনন্দে গায় গান হুর
ধর্মের সর্বনাশ গীতিকারঃ স্বপন শাহ্ শ্যামলাপুরী মাজার ভাংছে মানুষ পুড়ছে, ওরা পুড়ছে আবার লাশ, মনুষ্যত্ব মানবতা দিছে নির্বাসনে, চলছে শয়তানের উল্লাস || মাজার ভাঙ্গে মন্দিরে যায়, করে যে গীতা
অপমানের কষ্টিপাথর: মাদক মুক্তির আখ্যান -আশরাফুল আলম তাজ নিবিড় তিমিরে ঢাকা প্রভাতের ললাট-কপাল, নেশার নখরে আজ জীর্ণ শহরের মহাকাল। সোনালি স্বপ্নরা সব মোহের বিষাক্ত ছায়া মাখে, জীবনের আলো লুপ্ত,
বেঁচে থাকা বাঁচিয়ে রাখা —– সেলিনা সাথী বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাকে দিয়েছিলাম কবর, বাঁচিয়ে রাখার আকাঙ্খাটাই করে ছিলাম খবর। আমারও তো আবেগ ছিল ছিল অনুভূতি, অনুভবের বেড়াজালে লিখেছিলাম গীতি। মহাসুখে
আমি চলে গেলে গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির আমি চলে গেলে কারো কোনো ক্ষতি হবে না আমার আশায় কেউ দিন গুনবে না! পৃথিবী আগে মতোই চলবে অবিরাম আমার জন্য ঝরবে