
আশুলিয়া চারিগ্রামে ময়লার লাইন অপসারণ না করায় আটকে আছে স্বপ্নের জলাশয় রক্ষা ও পার্ক নির্মাণ প্রকল্প – নজরুল ইসলাম
বিগত ২২ মার্চ সম্ভবত রোযার ঈদের পরের দিন’ পাথালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সোবাহান চাচার সামনে কনট্রাক্টর সাহেব বলেছেন যে, “এই পুকুরটাকে তিনি পার্ক বানিয়ে দিবেন’❤️ প্রায় ২২ লক্ষ টাকা সরকারী বাজেট, অবশ্যই পার্ক করা সম্ভব.! কিন্তু এর মধ্যে ‘অশনি” মাত্র ৩/৪ জন মানুষ.!!! টয়লেটের ময়লার ড্রেন!!! ২৬ মার্চ গ্রামের শতাধিক গণ্যমান্য লোকের সামনে পাথালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সন্মানিত সাধারন সম্পাদক আমিনুর ভাইয়ের উপস্থিতিতে এদের ডেকে/ফোনে ২থেকে সর্বোচ্চ ৪ দিনের মধ্যে এই টয়লেটের লাইন অপসারণের নির্দেশ দেন’ পাথালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সোবাহান চাচা। এরপর আমিনুর ভাই একাধিক দিন এসে মাপজোক/ওয়াটার লেবেল করে পরামর্শ দেওয়ার পরও ২২ দিন হলো, এখনো লাইন অপসারণ করে নাই..!!!
এই ময়লার লাইন পুকুরে দেওয়ার সময়ও এরা আমিনুর ভাই ও পাথালিয়া ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে’ এরা মিথ্যাচার করে ও সরকারী অফিসার নায়েব সাহেবের সহিত অশোভন আচরণ করে.!! (ভিডিও/সরকারী রিপোর্ট আছে)।
এখনও এই সিন্ডিকেট কারও কথার তোয়াক্কা না করে, পুকুরে সংস্কার কাজ হতে না দেয়ার” অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এই গ্রামে বড় হয়েও/ সুবিধা নিয়েও, আসলে এরা গ্রামের উন্নয়ন চায় না.! এদের একজন’ আওয়ামীলীগ শেষ আমলে সিঙ্গাপুর ট্রেনিং করায়ে “আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ” হয়েছে.!.আরেকজন এখনো নিষিদ্ধ আওমীলীগের গুনগানে ব্যস্ত.!!!
সুতরাং এদের জন্যে গ্রামের এত বড় সুন্দর একটা প্রজেক্ট অচিরেই ভন্ডুল হয়ে যাবে কি না”?..জাতি জানতে চায়.??
এরা গ্রামের মুরব্বীদের কথা রাখে নাই.!!সর্বজনাব আতাউর রহমান কনট্রাক্টর, আইয়ুব আলী, লোকমান শেখ, সাকেত মাদবর, শামসুল হক ভাই, আজগর চাচা, সহ অনেকের অনুরোধের কর্ণপাত করে নাই.!!!পাথালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সেক্রেটারী আমিনুর ভাই ও সভাপতি সোবাহান চাচার কথাও রাখলো না.!!! বাসেদ চাচাও একদিন উদ্ভোধন করতে এসেছিলেন, তাও হয় নাই.!! চেয়ারম্যান প্রাথী হারুন ভাইও চেষ্টা করেছেন বলে শুনেছি.! তাহলে এরা “কাহার” কথায় চলে? তা” খতিয়ে দেখার আহবান রইল সংশ্লিষ্ট সকল মহলের..??
আর ৮মাস মেয়াদী কাজের সময়ের ৭ মাস শেষ হওয়ার পথে…শুধুমাত্র টয়লেটের পানির কারণে এখনো কাজে সেরুপ অগ্রগতি হয় নাই, কনট্রাক্টর পুকুর সংস্কার কাজ শুরু করেও কাজ ফেলে রেখেছে…!!!
সুতরাং সংস্কার কাজটি দ্রুত এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগীতা চাই…
নজরুল ইসলাম ফেইসবুক ওয়াল থেকে পোস্টটি শেয়ার করে চারিগ্রাম কেনাবেচা ফ্যাশন হাউজের কর্ণধার মোঃ রাহিম খাঁন তার ক্যাপশনে লিখেন
এলাকার উন্নয়ন মানে আমাদের প্রত্যেকের মর্যাদা বৃদ্ধি। ব্যক্তিগত মান-অভিমান বা ছোটখাটো স্বার্থের জন্য যদি সরকারি বরাদ্দ ফেরত যায়, তবে ক্ষতিটা আমাদের সবার। আজ যে সুযোগ এসেছে, তা হেলায় হারালে ভবিষ্যতে বড় কোনো প্রকল্পের জন্য মুখ দেখানো কঠিন হবে।”
আমাদের এলাকার অভিভাবক। অভিভাবকের দায়িত্ব হলো বিবাদ মিটিয়ে সঠিক পথ দেখানো। আপনারা যদি আজ উদ্যোগী না হন, তবে পরবর্তী প্রজন্ম প্রশ্ন তুলবে—কেন সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এলাকা পিছিয়ে রইল?”একদিন না
একজন মানুষ যখন নিজের খেয়ে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করে, তখন তাকে সহযোগিতা করা সমাজের নৈতিক দায়িত্ব। ব্যক্তিগত প্রচেষ্টাকে যখন প্রশাসনিক বা সামাজিকভাবে সমর্থন দেওয়া হয় না, তখন ভালো কাজ করার উৎসাহ হারিয়ে যায়।”
.
বিকল্প চিন্তা: “টাকা ফেরত যাওয়ার অর্থ হলো উন্নয়নের দৌড়ে আমরা আরও কয়েক বছর পিছিয়ে গেলাম। আসুন, ইগো বা মতভেদ ভুলে আমরা এক হই। আলোচনা করে সমাধান বের করি যাতে এই অর্থ এলাকার কাজেই ব্যয় হয়।”
“পুকুর বা জলাশয় রক্ষা করা কেবল শৌখিনতা নয়, এটি আমাদের পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। নোংরা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করে এলাকাকে সুন্দর রাখা আমাদের নাগরিক দায়িত্ব।”
Leave a Reply