1. admin@amaderchannel.online : admin :
  2. nnsabiha@gmail.com : Sabiha Akter : Sabiha Akter
  3. glil.ashulia@gmail.com : Bismillah Rafsan : Bismillah Rafsan
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বজ্রকণ্ঠের উত্তরাধিকার: মহাকালের শিলালিপিতে এক অবিনাশী দ্রোহ, আশরাফুল আলম তাজ ধমনীতে উন্নয়ন: শেখ হাসিনার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তার এক অনন্য দলিল, আশরাফুল আলম তাজ বেলায়েতের বাদশা মাওলা আলী আলাইহিস সালাম এর ওফাত, অধম হোসেন তোমার স্থান সবার উপরে, গীতিকার মহিবুর রহমান শাহীন গানে, প্রেমে জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ৮), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী গানে, প্রেমে জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ৭), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী ৭ মার্চ: তর্জনীর হুংকারে শৃঙ্খলমুক্তির মহাকাব্য, আশরাফুল আলম তাজ আত্ম উপলব্ধি, মুফতি শামস তিবরীজ গানে-প্রেমে জজবায় “প্রেমময় বাবা নজরুল” পর্ব (৬), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী ১৪টি দেশ থেকে নাগরিকদের দ্রুত সরে যেতে বললো যুক্তরাষ্ট্র, আমাদের চ্যানেল আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ব্রেকিং নিউজ:
বজ্রকণ্ঠের উত্তরাধিকার: মহাকালের শিলালিপিতে এক অবিনাশী দ্রোহ, আশরাফুল আলম তাজ ধমনীতে উন্নয়ন: শেখ হাসিনার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তার এক অনন্য দলিল, আশরাফুল আলম তাজ বেলায়েতের বাদশা মাওলা আলী আলাইহিস সালাম এর ওফাত, অধম হোসেন তোমার স্থান সবার উপরে, গীতিকার মহিবুর রহমান শাহীন গানে, প্রেমে জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ৮), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী গানে, প্রেমে জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ৭), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী ৭ মার্চ: তর্জনীর হুংকারে শৃঙ্খলমুক্তির মহাকাব্য, আশরাফুল আলম তাজ আত্ম উপলব্ধি, মুফতি শামস তিবরীজ গানে-প্রেমে জজবায় “প্রেমময় বাবা নজরুল” পর্ব (৬), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী ১৪টি দেশ থেকে নাগরিকদের দ্রুত সরে যেতে বললো যুক্তরাষ্ট্র, আমাদের চ্যানেল আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আজ ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি , ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইতিহাসের স্মৃতি চিহ্নে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন……

  • Update Time : রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৩০ Time View

 

প্রিয় শুভার্থীবৃন্দ,

ইতিপূর্বে ধারাবাহিকটি “”ইতিহাস গবেষণা: বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের কিছু কথা ” শিরোনামে ছিল ৷ এই পর্ব থেকে ধারাবাহিকটি ‘ ইতিহাসের স্মৃতি চিহ্নে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন ‘ শিরোনামে ধারাবাহিকটি অব্যাহত থাকবে …ধন্যবাদ ৷

” ইতিহাসের স্মৃতি চিহ্নে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন……(ধারাবাহিকঃ চার)

ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির জন্য পশ্চিম পাকিস্তানে বরাদ্দ ছিল ১৩৮টি আসন ৷ এর মধ্যে ৮৮টি আসনে জয়লাভ করে ভট্রোর পিপিপি, এবং প্রাদেশিক পরিষদের ৩৯৯টি আসনের মধ্যে পায় ১৪৪টি ৷ এই বিজয় যথেষ্ট হৃদয়গ্রাহী হলেও আওয়ামী লীগের বিস্ময়কর সাফল্যের কাছে ম্লান হয়ে গিয়েছিল ৷ যাই হোক আওয়ামী লীগের বিপরীতে, প্রভাবশালী ও রাজনৈতিকভাবে মূল্যবান পাঞ্জাবী সম্প্রদায়ের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন ভূট্রো ও তার পিপিপি ৷ পাঞ্জাব প্রদেশে মোট ৮৩টি আসনের মধ্যে পিপিপি পেয়েছিল ৬২টি ৷ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান ও আওয়ামী লীগকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য পাঞ্জাবে তাদের এই বিজয়কে পিপিপি একটা সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়েছিল , পশ্চিম পাকিস্তানের আসল প্রতিনিধি হিসেবে গর্বের সঙ্গে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল ভূৃুট্রো ৷ তিনি এটাও পরিস্কার করে দিয়েছিলেন এক ঘোষণায় যে অত সহজেই পরাজয় মেনে নেবেন না: পাকিস্তানে ক্ষমতার দুর্গ হচ্ছে পাঞ্জাব ও সিন্ধু ৷ জাতীয় রাজনীতিতে শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠতা গণ্য হয় না ৷ ভুট্রো ও পিপিপি বাঙালিদের দেখাতে চেয়েছিলেন যে বাঙালিরা পরাস্ত ৷

 

১৯৭১ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদ বা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির মোট ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও পিপিপি পায় ২৪১টি আসন , বাকি ৫৯টি আসনে জয়লাভ করে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো ৷ যাই হোক নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা মাত্রই ইয়াহিয়া অভিনন্দন জানান মুজিব ও ভুট্রোকে ৷ তিনি তাদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য উদগ্রীব ছিলেন, তাদের দুজনকেই ইসলামাবাদে আমন্ত্রণ জানান ৷ মুজিব পশ্চিম পাকিস্তানের রাজধানীতে ইয়াহিয়ার সঙ্গে নির্বাচন- পরবর্তী কোন আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানান ৷ এই লক্ষণীয় পদক্ষেপকে মুজিবের ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনিচ্ছা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিল কোন কোন মহল; তবে বাস্তবসম্মত ব্যাখ্যা ছিল এই রকম, মুজিব নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে ঢাকায়, ইসলামাবাদে নয় ৷ শেখ মুজিবের পশ্চিম পাকিস্তানে যাওয়ার অস্বীকৃতির ফলে সরকার তাকে পশ্চিম পাকিস্তান বিরুদ্ধী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী অ্যাখায়িত করার সুযোগ পেয়েছিল ৷

 

১৯৭১ সালের ৩রা জানুয়ারী নির্বাচনোত্তর তার প্রথম বক্তৃতাগুলোর একটিতে শেখ মুজিব ঘোষণা করেন, ছয় দফা কর্মসূচির ওপর গণভোটের আইনগত ক্ষমতা প্রদান করেছে জাতীয় নির্বাচন ৷ প্রাদেশিক স্বায়ত্বশাসনের জন্য আওয়ামী লীগের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে আর সেজন্য শক্তি ও সম্পদ উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করতে প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সব সদস্যকে তার সঙ্গে যোগ দিতে হবে: জনগণকে কায়েমী স্বার্থবাদীর অপব্যবহার ও কশাঘাত থেকে রক্ষা করতে… তিনি পশ্চিম অংশের রাজনৈতিক জাগরণকে স্বাগত জানিয়েছিলেন ; কিন্তু সহযোগিতার জন্য ভুট্রোর পিপল’স পার্টিকে আহবান জানান থেকে বিরত ছিলেন, তার বদলে পশ্চিম পাকিস্তানের জাগ্রত জনতাকে তাদের বাঙালী ভাইদের সঙ্গে যোগদানের আহবান জানান ৷

 

অতঃপর ইয়াহিয়াকে যেতে হয়েছিল ঢাকায় ৷ ১৯৭১ সালের ১২ ই জানুয়ারি তিনি ঢাকায় পৌঁছান ৷ ইয়াহিয়া আশা করেছিলেন, আওয়ামী লীগের প্রস্তুতকরা খসড়া সংবিধান তাকে দেখাবে মুজিব ৷ তাদের মধ্যে ইতিপূর্বে অনুষ্ঠিত গোপন বৈঠকে মুজিব এই অঙ্গীকার করেছিলেন ৷ নির্বাচনের প্রাক্কালে যেটা করা হয়েছিল সেটাও দেখানোর কথা ছিল ৷ ইয়াহিয়া ও মুজিবের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ১২ই জানুয়ারি , তিন ঘন্টা স্হায়ী হয় সেই বৈঠক ৷ G. W. চৌধরী তার বইতে উল্লেখ করেছেন;

 

” আমি প্রেসিডেন্টের হাউস থেকে ইয়াহিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চিঠি পাই এবং তার উত্তর দেই ৷ সেখানে আমি তাকে বিরস ও হতাশ দেখতে পাই ৷ তিনি আমাকে বলেন, ‘ মুজিব আমাকে হতাশ করেছেন ৷ তার ব্যাপারে যারা আমাকে সাবধান করেছিল তারাই ছিল ঠিক ; এই ব্যাক্তিকে বিশ্বাস করে আমি ভুল করেছি৷” মুজিব তাকে খসড়া সংবিধান দেখাতে অস্বীকার করেছেন যা দেখাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নির্বাচনের আগে ৷ তিনি ইয়াহিয়ার কাছে পরিস্কার করে দিয়েছেন যে সংখ্যাগুরু দলের নেতা হিসেবে নতুন সংবিধানের জন্য তিনি এবং একমাত্র তিনিই দায়িত্বশীল ব্যক্তি ৷ ইয়াহির কাজ হচ্ছে অবিলম্বে অ্যাসেম্বলি তলব করা ৷ এটা করতে ব্যর্থ হলে ইয়াহিয়াকে ভয়ংকর পরিণতির হুমকি দেন মুজিব ৷ (ক্রমশ)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2024 আমাদের চ্যানেল
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: CloudVai-ক্লাউড ভাই