1. admin@amaderchannel.online : admin :
  2. nnsabiha@gmail.com : Sabiha Akter : Sabiha Akter
  3. glil.ashulia@gmail.com : Bismillah Rafsan : Bismillah Rafsan
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জীবন্ত কিংবদন্তি জনাব আমীর উদ্দিন মামার অমর সৃষ্টির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা অবিরাম, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী গানে, প্রেমে, জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ১০), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী গানে, প্রেমে, জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ১২), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী কুমিল্লা দেবিদ্বারে শোহাদায়ে কারবালা স্মরণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, মনির ভান্ডারী সিঙ্গাপুর ইস্কান্দার শাহ রহঃ এর মাজার শরীফ, মহররম হোসেন নজরুলীয়া কণ্ঠ, সূফী কালামের এক ঐশী উত্তরাধিকার, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী বেলায়েত দিবস, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী মানবদেহে নূরের খবর জানার সৌভাগ‍্য কি মানবজীবনে সবার হয়, আল্লামা হানিফ নূরী পীর সাহেব রং বেরঙের ভালোবাসা, সুফি গবেষক মোবারক হোসেন মুরাদ নবী রাসুল, ওলীগনের সাথে বেয়াদবির ফলাফল হয় ভয়ঙ্কর, আল্লামা হানিফ নূরী পীর সাহেব
ব্রেকিং নিউজ:
জীবন্ত কিংবদন্তি জনাব আমীর উদ্দিন মামার অমর সৃষ্টির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা অবিরাম, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী গানে, প্রেমে, জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ১০), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী গানে, প্রেমে, জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল (পর্ব ১২), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী কুমিল্লা দেবিদ্বারে শোহাদায়ে কারবালা স্মরণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, মনির ভান্ডারী সিঙ্গাপুর ইস্কান্দার শাহ রহঃ এর মাজার শরীফ, মহররম হোসেন নজরুলীয়া কণ্ঠ, সূফী কালামের এক ঐশী উত্তরাধিকার, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী বেলায়েত দিবস, মুফতি শামস তিবরীজ সাদকপুরী মানবদেহে নূরের খবর জানার সৌভাগ‍্য কি মানবজীবনে সবার হয়, আল্লামা হানিফ নূরী পীর সাহেব রং বেরঙের ভালোবাসা, সুফি গবেষক মোবারক হোসেন মুরাদ নবী রাসুল, ওলীগনের সাথে বেয়াদবির ফলাফল হয় ভয়ঙ্কর, আল্লামা হানিফ নূরী পীর সাহেব
আজ ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৮ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি , ২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বজ্রকণ্ঠের উত্তরাধিকার: মহাকালের শিলালিপিতে এক অবিনাশী দ্রোহ, আশরাফুল আলম তাজ

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৯৮ Time View

 

বজ্রকণ্ঠের উত্তরাধিকার: মহাকালের শিলালিপিতে এক অবিনাশী দ্রোহ

 – আশরাফুল আলম তাজ

প্রারম্ভিকা: ইতিহাসের গর্ভগৃহে প্রজ্জ্বলিত অনির্বাণ শিখা

ইতিহাস কোনো বিস্মৃতির ডাস্টবিন নয়, যাকে ক্ষমতার মদমত্ততায় উপড়ে ফেলা সম্ভব। ইতিহাস হলো একটি জাতির সামষ্টিক চেতনার আধার—তার রক্তক্ষরণ, সংঘাত এবং আত্মাহুতির এক জীবন্ত মহাফেজখানা। ১৯৭১ সালের সেই তপ্ত অপরাহ্নে, রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে যখন শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর বজ্রনির্ঘোষে স্বাধীনতার অমোঘ মন্ত্র উচ্চারণ করেছিলেন, সেটি কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের ইশতেহার ছিল না। সেটি ছিল সহস্রাব্দের শোষিত ও বঞ্চিত বাঙালির অবদমিত হাহাকারের এক আগ্নেয়গিরি সদৃশ বিস্ফোরণ। আজ যারা সংকীর্ণ রাজনীতির চশমায় সেই অবিনাশী সুরকে স্তব্ধ করতে চায়, তারা মূলত একটি জাতির নাড়ির স্পন্দনকেই অস্বীকার করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। ৭ মার্চের ভাষণ কেবল একটি প্রথাগত বক্তৃতা নয়—এটি একটি জাতির মহাজাগরণের লগ্ন, এক অবিনাশী আত্মপ্রকাশের মুহূর্ত।

বিশ্ব-বিবেকের দর্পণে এক অনন্য শব্দ-মহাকাব্য

যে শব্দমালাকে ইউনেস্কো ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে ঘোষণা করে বিশ্ব-প্রামাণ্য ঐতিহ্যের মুকুটে শ্রেষ্ঠ পালক হিসেবে গেঁথে দিয়েছে, নিজ ভূখণ্ডে তাকে অবজ্ঞা করা নিছক রাজনৈতিক সংকীর্ণতা নয়—এটি একটি জাতির ‘বৌদ্ধিক আত্মহত্যা’। বিশ্বের শান্তিকামী ও মুক্তিকামী মানুষের কাছে যা ধ্রুবতারার মতো দীপ্যমান, তাকে রাষ্ট্রীয় অবহেলার অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া মানে জাতির মেরুদণ্ডে কুঠারাঘাত করা। এই আত্মঘাতী প্রবণতা আমাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক স্ববিরোধী ও শেকড়বিচ্ছিন্ন জাতি হিসেবে উপস্থাপিত করে, যে নিজের শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক অর্জনকেই আলিঙ্গন করার নৈতিক সাহস হারিয়েছে।

মুক্তিসংগ্রামের শাশ্বত ইশতেহার ও অলিখিত ম্যানিফেস্টো

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সেই কালরাত্রির নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে যখন মৃত্যু বিভীষিকা হয়ে হানা দিয়েছিল, তখন এই এক কণ্ঠই ছিল দিশেহারা বাঙালির আলোকবর্তিকা। “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”—এই ধ্রুপদী ঘোষণাই হয়ে উঠেছিল রণাঙ্গনের অলিখিত সংবিধান। এই বজ্রধ্বনির আহ্বানেই বাংলার ভূমিপুত্ররা—কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র—সবাই তুচ্ছ করেছিলেন প্রাণভয়। এই ভাষণকে প্রচারের আড়ালে রাখা মানে কেবল একটি ঐতিহাসিক কণ্ঠস্বরকে রুদ্ধ করা নয়, বরং সেই লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তঋণকে অস্বীকার করা, যারা এই সুরকে হৃদয়ে ধারণ করে মৃত্যুর আলিঙ্গনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। সত্যকে সাময়িকভাবে শৃঙ্খলিত করা যায়, কিন্তু তার অবিনাশী সত্তাকে মহাকালের গর্ভ থেকে মুছে ফেলা অসম্ভব।

ব্যক্তিপূজা বনাম জাতীয় সত্তা: বিভ্রমের অবসান

শাসনের সিংহাসন বদলায়, শাসকের নাম পাল্টায়, রাজনীতির মঞ্চে নতুনের জয়গান গাওয়া হয়—কিন্তু জাতির সূচনালগ্ন থাকে ধ্রুব ও অপরিবর্তনীয়। ৭ মার্চের ভাষণকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বৃত্তে বন্দি করে দেখা ইতিহাসের প্রতি চরম অবজ্ঞা। এটি কোনো ব্যক্তিবন্দনা নয়, এটি একটি জাতির সম্মিলিত স্পন্দনের প্রতিধ্বনি। রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম থেকে এই ঐশ্বরিক ঘোষণা সরিয়ে রাখা মানে জনগণের স্মৃতিকে নির্বাসনে পাঠানো। যে রাষ্ট্র তার জন্মের সনদ প্রচারে কুণ্ঠাবোধ করে, সে রাষ্ট্র প্রকারান্তরে নিজের সার্বভৌমত্বের ওপরই নতুন এক অদৃশ্য সেন্সরশিপ আরোপ করে।

উপসংহার: শৃঙ্খল মুক্তির অবিনাশী আহ্বান

ইতিহাসের চাকা পেছনে ঘোরানোর পণ্ডশ্রম যুগে যুগে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। ৭ মার্চের ভাষণ কোনো পঞ্জিকার বিশেষ দিবসের আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি বাঙালির রক্তকণিকায় মিশে থাকা বিদ্রোহের সুরম্য সংগীত। তাই এই বজ্রকণ্ঠকে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে পুনরায় আকাশ-বাতাসে প্রতিধ্বনিত করা আজ কেবল সময়ের দাবি নয়, এটি ইতিহাসের প্রতি আমাদের পরম দায়বদ্ধতা। কারণ, সত্য একবার উচ্চকিত হলে তাকে চিরদিনের জন্য নিস্তব্ধ করা যায় না। যতদিন পদ্মা-মেঘনা-যমুনার ধারা বহমান থাকবে, যতদিন এই ভূখণ্ডের মানচিত্র বিদ্যমান থাকবে, ততদিন ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালির আত্মপরিচয়ের সবচেয়ে দীপ্ত ও শাশ্বত ঘোষণাপত্র হয়ে টিকে থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2024 আমাদের চ্যানেল
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: CloudVai-ক্লাউড ভাই