1. admin@amaderchannel.online : admin :
  2. nnsabiha@gmail.com : Sabiha Akter : Sabiha Akter
  3. glil.ashulia@gmail.com : Bismillah Rafsan : Bismillah Rafsan
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আদর্শের চ্যুতি ও এক মহীরুহের পতন: যখন রাজনীতি চলে যায় অশুভের করাল গ্রাসে, আশরাফুল আলম তাজ মশা নিধনে চাই সমন্বিত কার্যকর উদ্যোগ, মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী সংগীতে~সাধনা, ডি,এম,আর,আউয়াল (বি,এ) ইসলাম মানে আত্মসমর্পণ, মুসলিম মানে আত্মসমর্পণকারী, নিগাহে অলি  না ফেরার দেশে বাউল সাধক উস্তাদ সূনীল কর্মকার সততার খোদাই, নিগাহে অলি ইতিহাসের ধ্রুবতারা ও রাজনীতির চোরাবালি: প্রথম প্রতিরোধের দালিলিক সত্য, আশরাফুল আলম তাজ গানে, প্রেমে জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল(৪), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী আজ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,২১ মাঘ ১৪৩২, বুধবার হযরত মতিয়র রহমান শাহ্ (ক.) ৬২তম পবিত্র ওরশ শরিফ, শেখ বিবি কাউসার ঘাসি পীর রহমতুল্লাহি আলাইহি এর স্বরণে লেখা দুটি শান, বাউলকবি কার্তিক উদাস
ব্রেকিং নিউজ:
আদর্শের চ্যুতি ও এক মহীরুহের পতন: যখন রাজনীতি চলে যায় অশুভের করাল গ্রাসে, আশরাফুল আলম তাজ মশা নিধনে চাই সমন্বিত কার্যকর উদ্যোগ, মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী সংগীতে~সাধনা, ডি,এম,আর,আউয়াল (বি,এ) ইসলাম মানে আত্মসমর্পণ, মুসলিম মানে আত্মসমর্পণকারী, নিগাহে অলি  না ফেরার দেশে বাউল সাধক উস্তাদ সূনীল কর্মকার সততার খোদাই, নিগাহে অলি ইতিহাসের ধ্রুবতারা ও রাজনীতির চোরাবালি: প্রথম প্রতিরোধের দালিলিক সত্য, আশরাফুল আলম তাজ গানে, প্রেমে জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল(৪), মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী আজ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,২১ মাঘ ১৪৩২, বুধবার হযরত মতিয়র রহমান শাহ্ (ক.) ৬২তম পবিত্র ওরশ শরিফ, শেখ বিবি কাউসার ঘাসি পীর রহমতুল্লাহি আলাইহি এর স্বরণে লেখা দুটি শান, বাউলকবি কার্তিক উদাস
আজ ৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৮শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি , ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইতিহাস গবেষণাঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের কিছু কথা…আশরাফুল আলম তাজ

  • Update Time : বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ৩২২ Time View

 

ইতিহাস গবেষণাঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের কিছু কথা……আশরাফুল আলম তাজ

(ধারাবাহিক: তিন)

১৯৭০ সালের নির্বাচনের মুখে পশ্চিম অংশে প্রধান রাজনৈতিক ও জননেতা হিসেবে আবির্ভূত হন ভুট্রো ৷; যাই হোক , তার সামনে একটা চলমান ইসু ছিল এক ইউনিট ৷ এক ইউনিট ছিল পাকিস্তান সরকারের একটা ভূূরাজনৈতিক কর্মসুচি, এটি চালু করা হয় ১৯৫৪ সালের নভেম্বরে ৷ পাকিস্তানের দুইটি অসমতাপূর্ণ অংশের প্রশাসনিক সমস্যার সমাধানে এই কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছ্ল ৷ এর পরিণতিতে পশ্চিম পাকিস্তানের চারটি প্রদেশ ( পাঞ্জাব,সিন্ধু, বালোচিস্তান, সীমান্ত প্রদেশ ) মিলে একটি প্রদেশে পরিণত হয় ৷ এক ইউনিট তখনও পর্যন্ত পাঞ্জাবীদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল , কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের ছোট প্রদেশগুলো এর বিরুদ্ধে ছিল ৷

ভারতের সঙ্গে সংঘাত, ভারতের সঙ্গে এক হাজার বছর যুদ্ধ এবং ১৯৬৬ সালে তাশখন্দ বৈঠকে আইয়ুবের কথিত জাতীয় স্বার্থ বিসর্জনের ব্যাপারে ভুট্রো জ্বালাময় বক্তৃতা দেন পাঞ্জাবে ৷ তবে ওই ধরনের আবেগপূর্ণ ইসুর তেমন কোনও আবেদন ছিল না বালোচিস্তানে অথবা সীমান্ত প্রদেশে বা ভুট্রোর নিজের প্রদেশ সিন্ধুতে ৷ নতুন জেগে ওঠা ভুখা-নাঙ্গা মানুষদের সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে ভুট্রো তার বক্তৃতায় ভূমি সংস্কার ও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের কথা বলেছিলেন, বিশেষ করে শিল্র-শহরগুলোতে, এও লক্ষ্য রাখতে হয়েছিল যে বিশাল সম্পদের মালিক ও ব্যবসায়ীদের যেন বেশি দূরে ঠেলে দেয়া না হয় ৷

পাকিস্তানে ২৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, ১৯৭০ সালের ৭ই ডিসেম্বর ৷ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির জন্য প্রায় ৫৬ মিলিয়ন মানুষ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোট দেন ৷ পূর্ব পাকিস্তান, সিন্ধু, বালোচিস্তান,পাঞ্জাব ও সীমান্ত প্রদেশের প্রদেশিক আইন পরিষদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৷ পশ্চিম পাকিস্তানে জুলফিকার আলী ভুট্রোর প্রচারণা আর পূর্ব পাকিস্তানে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রচেষ্টায় প্রতিদান মিলেছিল জাঁকাল ৷ দুজনেরই রাজনৈতিক প্রচারাভিযান বিপুলসংখ্যক নতুন সমর্থক ও অনুগামীর সমর্থন অর্জন করেছিল ৷ কেননা সামরিক শাসক আইয়ুব খান ও ইয়াহিয়া খানের অধীনে পাকিস্তান যেভাবে চলছিল তাতে তারা হতাশ ছিল ৷ নির্বাচকমন্ডলী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং এই মর্মে পরিস্কার রায় দিয়েছিল যে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে ৷

পশ্চিম পাকিস্তানে জুলফিকার আলী ভুট্রোর পিপিপি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পায়, কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানে শেখ মুজিবের আওয়ামী লীগ ও তাদের বিস্ময়কর জয়ের চেয়ে কম ৷ সাধারণ নির্বাচনে নজিরবিহীন বিজয় অর্জন করে দেশকে হতভম্ব করে দেয় আওয়ামী লীগ , ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ১৬২টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ পায় ১৬০ টি আসন , এবং প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০চি আসনের মধ্যে ২৮৮টি ৷ এই ফলাফলে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আওয়ামী লীগ এবং একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারের অধীনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অধিকারী হন শেখ মুজিবুর রহমান ৷ ( ক্রমশ)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2024 আমাদের চ্যানেল
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: CloudVai-ক্লাউড ভাই