1. admin@amaderchannel.online : admin :
  2. nnsabiha@gmail.com : Sabiha Akter : Sabiha Akter
  3. glil.ashulia@gmail.com : Bismillah Rafsan : Bismillah Rafsan
মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শিয়া মতবাদ, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সমসাময়িক ইরান, নিগাহে অলি নক্ষত্রের মহাপ্রস্থান: মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে এক বিশাল শূন্যতার হাহাকার, আশরাফুল আলম তাজ পুলিশ হত্যাকাণ্ডের ছায়া: তদন্তের আলো ও গণতান্ত্রিক সংকট, আশরাফুল আলম তাজ ওগো মুসলমান ভাই, শাহ্ ইকবাল হোসাইন আমরা মিলাদ উদযাপন ছেড়ে দিয়েছি! মাহমুদা খাতুন শোনা কথায় নয়, যাচাই করা সত্যে বিশ্বাস করুন, নিগাহে অলি ইসলামের প্রাথমিক রাজনৈতিক টাইমলাইন, সংগ্রহেঃ মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি, আশরাফুল আলম তাজ  পাগল ভক্তের প্রার্থনা, নজমুল সাদকপুরী “একুশের চেতনা: সত্য, সংগ্রাম ও ছদ্মবেশের মুখোশ উন্মোচন”, আশরাফুল আলম তাজ
ব্রেকিং নিউজ:
শিয়া মতবাদ, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সমসাময়িক ইরান, নিগাহে অলি নক্ষত্রের মহাপ্রস্থান: মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে এক বিশাল শূন্যতার হাহাকার, আশরাফুল আলম তাজ পুলিশ হত্যাকাণ্ডের ছায়া: তদন্তের আলো ও গণতান্ত্রিক সংকট, আশরাফুল আলম তাজ ওগো মুসলমান ভাই, শাহ্ ইকবাল হোসাইন আমরা মিলাদ উদযাপন ছেড়ে দিয়েছি! মাহমুদা খাতুন শোনা কথায় নয়, যাচাই করা সত্যে বিশ্বাস করুন, নিগাহে অলি ইসলামের প্রাথমিক রাজনৈতিক টাইমলাইন, সংগ্রহেঃ মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি, আশরাফুল আলম তাজ  পাগল ভক্তের প্রার্থনা, নজমুল সাদকপুরী “একুশের চেতনা: সত্য, সংগ্রাম ও ছদ্মবেশের মুখোশ উন্মোচন”, আশরাফুল আলম তাজ
আজ ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি , ৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২১ নভেম্বর ২০২৫: মহাজাগতিক ধ্যানে ধরণীর দুলে ওঠা ও মানুষের বিনীত আত্মসমর্পণ

  • Update Time : শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২০৪ Time View

 

২১ নভেম্বর ২০২৫: মহাজাগতিক ধ্যানে ধরণীর দুলে ওঠা ও মানুষের বিনীত আত্মসমর্পণ

— আশরাফুল আলম তাজ

ভূমিকা: ধরণীর কম্পন, আকাশের সোনালী আবির

সকালের আলো তখনো পুরোপুরি মাটির বুক ছুঁয়ে নামেনি—আকাশে ছিল ক্ষীণ সোনালি আবির, বাতাসে ছিল এক অদ্ভুত স্থিরতা। ঠিক সেই নিস্তব্ধ মুহূর্তেই পৃথিবী যেন হঠাৎ নিজের নিঃশ্বাস ভুলে গিয়ে কেঁপে উঠল। ২১ নভেম্বর ২০২৫, সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে মাধবদির নিকটবর্তী ভূ-অভ্যন্তরে জমে থাকা অদৃশ্য শক্তি রিখটার স্কেলে ৫.৫–৫.৭ মাত্রার এক কম্পনে খুলে দিল স্তব্ধ গভীরতার দরজা।
মাটি দুলল, জানালার কাঁচ কাঁপল, ভবনের রেলিং চরর শব্দে কাঁদলো। এক অমোঘ অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়ল মানুষের হৃদয়ের প্রতিটি শিরায়। এই কম্পন কেবল ভূ-তলের বিচ্যুতি নয়; এটি যেন এক মহাজাগতিক ধ্যানভঙ্গ, যা মানুষের চিরন্তন অহংবোধের ওপর নীরব আঘাত হানল।

ধরণীর আর্তনাদ: মানুষের ক্ষুদ্রতার উন্মোচন

যে মাটিকে আমরা প্রতিদিন নির্ভরতার প্রতীক মনে করি, সেই মাটিই আজ এক নীরব অথচ স্পষ্ট বার্তা দিল—”আমি তোমাদের ধারণ করি, কিন্তু তোমাদের জন্য তৈরি নই; আমার নীরবতা চিরস্থায়ী নয়।”
পৃথিবীর এই সামান্য কাঁপনেই মানুষের পরম শক্তির সব দাবি ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। উঁচু দালান, প্রযুক্তির উচ্চারণ, নগরজটের অহং—সবই স্থবির হয়ে পড়ে এক মুহূর্তের আলোড়নে। মানুষের জীবন কত নরম, কত ভঙ্গুর, কত ক্ষুদ্র এক দোলায়!
হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে ছুটে এলো, কেউ অশ্রু চেপে, কেউ শ্বাস ধরে, কেউ পরিবারের নাম ধরে তড়িঘড়ি ডাকতে ডাকতে। এই মুহূর্তে মানুষ বুঝতে পারে, প্রকৃতিই শেষ কথা, এবং তার শক্তির কাছে মানুষের প্রযুক্তিগত গর্ব নিতান্তই তুচ্ছ।

আতঙ্কের মাঝে মানবতার প্রস্ফুটন: আলোকরেখার সন্ধান

রেলিং ভেঙে পড়েছে কোথাও, কোথাও দেয়াল খানিক সরে গেছে। ভয় যখন চাবুক হয়ে ছড়িয়ে গেছে, ঠিক তার মাঝেই দেখা গেছে অদ্ভুত আলোকরেখা—সেখানে কোনো আনুষ্ঠানিক পরিচিতি নেই, কোনো স্বার্থের সমীকরণ নেই। মানুষ মানুষের হাত ধরে আছে, অপরিচিত মানুষও অপরিচিতকে সান্ত্বনা দিচ্ছে, কেউ কারও শিশুকে বুকে টেনে নিয়ে বলছে, “ভাববেন না, আমরা আছি।”
দুর্যোগের ভিতর এভাবেই মানবতা ফুল হয়ে ফোটে—ধূলিধূসরিত ভাঙাচুরা পাথর-ইটের মাঝেও। এই সম্মিলিত ভয়ই যেন মানুষকে তাদের ভেতরের প্রকৃত সত্য, তাদের সহজাত করুণা এবং বন্ধনের দিকে ফিরিয়ে আনে।

মহান সৃষ্টিকর্তার স্মরণ: দুলে ওঠা মাটির ওপর অটল আশ্রয়

যখন পৃথিবী দোলে, তখন মানুষের আত্মাও দুলে ওঠে। ঠিক তখনই হৃদয় গভীরে জেগে ওঠে এক অন্য উপলব্ধি—আমরা অক্ষম, আমরা নশ্বর, আমরা তাঁরই আশ্রয়ের প্রার্থী।
এমন সময় এক নীরব, সম্মিলিত প্রার্থনা উঠে আসে ভীত-আকুল বুকে—
“হে মহান সৃষ্টিকর্তা,
আপনি যিনি আকাশ ও পৃথিবীর স্থিরতা ধারণ করেন,
আপনার দয়ার চাদরে আমাদের ঢেকে নিন।
এই কম্পিত হৃদয়কে শান্ত করুন, আপনার করুণায় আমাদের ঘর-বাড়ি, পরিবার, সন্তান, দেশ ও জনপদকে নিরাপদ রাখুন।
আপনার ইচ্ছার বাইরে আমরা কিছুই নই, আপনার সুরক্ষা ছাড়া আমরা নিঃসহায়।”

এই প্রকৃতির ঝাঁকুনিতে মানুষ বুঝে—ভূমি আমাদের পায়ের নিচে দুলতে পারে, কিন্তু মহান স্রষ্টার দয়া কখনো দোলে না। তাঁর করুণাই একমাত্র অটল আশ্রয়।

ধরণীর গোপন ভাষা: সতর্কবার্তা ও চিরন্তন শিক্ষা

আজকের কম্পন যেন ধরণীর গোপন ভাষায় গলা তুলে বলা এক সতর্কবার্তা—মানুষ, তোমাদের স্থাপত্যে হোক প্রজ্ঞার শিকড়, নকশায় হোক সচেতনতা, জীবনে হোক প্রস্তুতির আবরণ।
ভূমি কাঁপলে যে মানুষ পড়ে, সে আবার উঠে দাঁড়াতে পারে—যদি তার হৃদয়ে থাকে সাহস, মননে থাকে প্রস্তুতি, আর বিশ্বাসে থাকে সেই মহান রক্ষকের উপর নীরব আস্থা। এটি কেবল মাটির কম্পন নয়, এটি আমাদের চেতনার কম্পন—যা জীবন ও মৃত্যুর আপেক্ষিকতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।

উপসংহার: আশ্রয়দাতার করুণা ও বিনীত আত্মসমর্পণ

ভয় কেটে গেলে ধুলো উড়ে যায়, দেয়াল আবার দাঁড়ায়, সময়ের প্রবাহ আবার স্বাভাবিক হয়। কিন্তু এই ক্ষণস্থায়ী ভয় মানুষের মনে এক চিরস্থায়ী সত্য রেখে যায়—
মানুষের প্রকৃত আশ্রয় দালানে নয়, পদার্থে নয়, প্রযুক্তিতে নয়—বরং সেই একমাত্র সত্তার দয়ায়, যিনি দয়া করেন, রক্ষা করেন, স্থির রাখেন।
আজকের এই ভূকম্পন তাই শুধু দুর্যোগ নয়, এ এক শিক্ষার দিন, এক উপলব্ধির দিন, এক বিনীত আত্মসমর্পণের দিন—যাতে মানুষ বলে—
“হে সৃষ্টির পরম কর্তা, আপনিই আমাদের শান্তি, আপনিই আমাদের আশ্রয়, আপনিই আমাদের চিরস্থায়ী নিরাপত্তা।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2024 আমাদের চ্যানেল
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: CloudVai-ক্লাউড ভাই