
রাজপথের মহাকাব্য: আপসহীন শিখা
— আশরাফুল আলম তাজ
( শব্দে সময়কে প্রশ্নকারী এক নাগরিক কন্ঠ)
(বেগম খালেদা জিয়াকে উৎসর্গীকৃত)
়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়়
হেমন্তের ঝড়ে যে শিখা জ্বলেছিল উত্তাল রাজপথে,
গৃহবধূ থেকে জননী হলেন তিনি—মহাকাব্যের রথে।
সোহরাওয়ার্দীর জনসমুদ্রে যে কণ্ঠ ছিল অবিচল ধীর,
তাকে ঘিরেই রচিত হলো ইতিহাস—উন্নত শিরে বীর।
ঝলসানো রোদ, টিয়ারগ্যাস, আর লোহার শিকল ভাঙা,
বুকের ভেতর লাল-সবুজের মানচিত্র আগুনে রাঙা।
কখনো ক্যান্টনমেন্টের নির্জনতা, কখনো কারাবাস,
তবু নামেনি চোখের পাতায় পরাজয়ের দীর্ঘশ্বাস।
উড়েছে আঁচল পতাকার মতো বাংলার নীল আকাশে,
আন্দোলনের মশাল জ্বলেছে মিছিলে মিছিলে ভাসে।
দেশনেত্রী তুমি—সময়ের সাক্ষী, সংগ্রামের এক নাম,
ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে তোমারেই জানাই সালাম।
উত্তাল ঢেউয়ে পাল তোলা নাও, ঝঞ্ঝায় অটল চল,
তুমি তো সেই হিমালয়সম—অদম্য এক বল।
রক্তে রাঙানো সেই রাজপথ, ইতিহাসের ঘ্রাণ,
তুমি বাংলার মহাকাব্যের অবিনাশী এক প্রাণ।
শীতল কক্ষের একাকী প্রহর, তবু ভাঙেনি শির,
তুমিই শিখালে—খাঁচায় থেকেও সিংহী থাকে ধীর।
দীর্ঘ রজনী কেটেছে তোমার অন্যায়ের অবিচারে,
তবু নামেনি তোমার পতাকা আঁধারের কারাগারে।
মিথ্যা মামলা, চক্রান্তের জাল ছিঁড়েছো সাহসে একা,
ইতিহাসের পাতায় তাই তো তোমার বিজয়ের নাম লেখা।
উত্তাল সেই নব্বই থেকে আজকের এই ক্ষণ,
তুমিই জাগালে শোষিত মানুষের অবদমিত মন।
রক্তে কেনা এই স্বাধীনতা, গণতন্ত্রের প্রাণ,
তোমার ত্যাগের মহাকাব্যেই খুঁজে পায় পরিত্রাণ।
Leave a Reply