1. admin@amaderchannel.online : admin :
  2. nnsabiha@gmail.com : Sabiha Akter : Sabiha Akter
  3. glil.ashulia@gmail.com : Bismillah Rafsan : Bismillah Rafsan
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গানে প্রেমে জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল, মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী চেতনা বনাম স্বার্থ: বাংলাদেশের রাজনৈতিক দ্বৈরথের মহাকাব্যিক দর্শন, আশরাফুল আলম তাজ অগ্নিগর্ভ ভূরাজনীতি ও মদমত্ত নেতৃত্ব: এক বিপন্ন সভ্যতার আসন্ন গোধূলি, আশরাফুল আলম তাজ হ্যাঁ-না ভোটের গোলকধাঁধা: বিবেকের দর্পণ ও রাষ্ট্রের গন্তব্য, আশরাফুল আলম তাজ চোখ থাকিতে হইলাম এখন কানা রে গীতিকারঃ কার্তিক উদাস মহর্ষি মনোমোহনের ১৪৮তম শুভ আবির্ভাব উৎসব, অধম হোসেন সৈয়দ আবুল ওলা (রহ.) সৈয়দ সাহেব আজ থেকে ৩ দিন ব্যাপী মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে সৈয়দ নাসির উদ্দিন রহঃ সহ ১২০ জন আওলিয়ার স্বরণে ওরশ মোবারক ৭০০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ঢাকার হাইকোর্ট মাযারে খাজা শরফুদ্দীন চিশতির ওরশ শরীফে বাধা: তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা পহেলা মাঘ—বিশ্বমানবতার আশার আলো: গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর আগমনের ২০০ বছর
ব্রেকিং নিউজ:
গানে প্রেমে জজবায় প্রেমময় বাবা নজরুল, মোহাম্মদ মহররম হোসেন মাহ্দী চেতনা বনাম স্বার্থ: বাংলাদেশের রাজনৈতিক দ্বৈরথের মহাকাব্যিক দর্শন, আশরাফুল আলম তাজ অগ্নিগর্ভ ভূরাজনীতি ও মদমত্ত নেতৃত্ব: এক বিপন্ন সভ্যতার আসন্ন গোধূলি, আশরাফুল আলম তাজ হ্যাঁ-না ভোটের গোলকধাঁধা: বিবেকের দর্পণ ও রাষ্ট্রের গন্তব্য, আশরাফুল আলম তাজ চোখ থাকিতে হইলাম এখন কানা রে গীতিকারঃ কার্তিক উদাস মহর্ষি মনোমোহনের ১৪৮তম শুভ আবির্ভাব উৎসব, অধম হোসেন সৈয়দ আবুল ওলা (রহ.) সৈয়দ সাহেব আজ থেকে ৩ দিন ব্যাপী মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে সৈয়দ নাসির উদ্দিন রহঃ সহ ১২০ জন আওলিয়ার স্বরণে ওরশ মোবারক ৭০০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ঢাকার হাইকোর্ট মাযারে খাজা শরফুদ্দীন চিশতির ওরশ শরীফে বাধা: তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা পহেলা মাঘ—বিশ্বমানবতার আশার আলো: গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর আগমনের ২০০ বছর
আজ ৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ৩০শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি , ১৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

যতবারই হত্যা করো, আশরাফুল আলম তাজ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৭ Time View

 

যতবারই হত্যা করো

অবিনাশী পুনরুত্থান: মহাকালের শিলালিপি ও দম্ভের অনিবার্য বিসর্জন

আশরাফুল আলম তাজ
(শব্দে সময়কে প্রশ্নকারী এক নাগরিক কণ্ঠ)

ঢাকা, বাংলাদেশ | ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

লেখকের কথা
শব্দ যখন আর কেবল অক্ষরের অনুশাসনে আবদ্ধ থাকে না—যখন তা সময়ের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বিচারকের ভূমিকা নেয়—ঠিক তখনই জন্ম নেয় এমন কিছু পংক্তি, যা রাজদণ্ডের চেয়েও অধিক শক্তিশালী।
আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি নাগরিকের কণ্ঠই তার রাষ্ট্রের নৈতিক মানচিত্র। সেই কণ্ঠকে শৃঙ্খলিত করার প্রতিটি প্রয়াস রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে নয়—তার বিবেককেও নগ্ন করে দেয়।
‘যতবারই হত্যা করো’ কোনো আকস্মিক আবেগের উচ্চারণ নয়; এটি মহাকালের বুকে উৎকীর্ণ এক অমোঘ সত্য। ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে—বুলেট মানুষের শরীরকে স্তব্ধ করতে পারে, কিন্তু মুক্তির তৃষ্ণা কোনো শক্তি কখনো নিস্তেজ করতে পারে না।
এই প্রবন্ধ উৎসর্গকৃত সেই সব কণ্ঠস্বরের প্রতি—যারা দম্ভের সামনে মাথা নত করেনি; যারা জানে—বিনাশের গভীর গর্ভেই পুনরুত্থানের অপরিহার্য সূত্র লুকিয়ে থাকে।
আমি কেবল সেই অব্যক্ত যন্ত্রণাকে শব্দের শৈল্পিক রূপ দিয়েছি—এর বেশি কিছু নয়।

সারসংক্ষেপ
ইতিহাসের চাকা রক্তে থেমে যায় না; বরং শোণিতধারায় সিক্ত হয়ে তা আরও বেগবান হয়।
রাষ্ট্র যখন নাগরিকের প্রশ্নকে ভয় হিসেবে পাঠ করে, তখন সে নিজের পতনের ভূমিকাই নিজে রচনা করে।
ঘাতক নশ্বর দেহকে নিথর করতে পারে, কিন্তু মুক্তির অবিনাশী আকাঙ্ক্ষা কোনো পার্থিব শক্তির নাগালের বাইরে।
এই আখ্যান দম্ভের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়ার দলিল এবং সত্যের অনিবার্য পুনরুত্থানের নাগরিক ভাষ্য।
শোনো হে ঘাতক, শোনো হে রাজদণ্ডধারী—রক্তে ভেজাও মাটি, সেখানে ফলবে বিদ্রোহ।
একটি মস্তক ছিন্ন করলে জন্ম নেয় সহস্র প্রশ্নচিহ্ন।
ইতিহাস কোনো স্তব্ধ শিলাখণ্ড নয়—ইতিহাস এক অবদমিত গর্জন।
যতবারই হত্যা করো—ততবারই জন্মাবো আমরা।
ভস্ম থেকে ফিনিক্সের মতো জেগে ওঠা—এটাই মানুষের শেষ নাগরিক অধিকার।

প্রারম্ভিকা:

ইতিহাসের প্রবহমান অবিনশ্বরতা
ইতিহাস কোনো জড় পাথরের স্তূপ নয়, কিংবা ক্ষমতাবানের ফরমায়েশি স্মৃতিফলকও নয়।
ইতিহাস এক জীবন্ত, স্বয়ংক্রিয় চেতনা—মানুষের রক্ত, অশ্রু ও স্বপ্নের সংমিশ্রণে অবিরাম প্রবাহিত।
যুগে যুগে ক্ষমতার মদমত্ততায় অন্ধ শাসকেরা ভেবেছে, তারা সময়ের কণ্ঠরোধ করবে; সত্যকে বুলেটের খাদ্য বানাবে।
মহাকাল সাক্ষী—যে মুহূর্তে সত্যের শ্বাসরোধ করা হয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই অন্ধকার চিরে জন্ম নিয়েছে সহস্র সূর্যের অবিনাশী দীপ্তি।
“যতবারই হত্যা করো, জন্মাবো আবার”—এটি কোনো স্লোগান নয়; এটি সভ্যতার এক অস্তিত্বগত ও গাণিতিক সূত্র।

কর্তৃত্ববাদী মরীচিকা ও দমনের ভ্রান্তি

ক্ষমতা যখন তার নৈতিক বৈধতা হারায়, তখন সে শক্তির ভাষায় নয়—ভয়ের ভাষায় কথা বলে।
ভয় থেকেই জন্ম নেয় দমন, নিপীড়ন ও হত্যার উল্লাস।
শাসকের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো—সে ‘শরীর’ ও ‘বোধ’-এর পার্থক্য ভুলে যায়।
শরীর নিথর হলেই চিন্তাও সমাহিত হয়—কিন্তু সত্য সম্পূর্ণ বিপরীত।
শহীদের রক্ত যখন মাটির অন্দরে প্রবেশ করে, তখন তা প্রতিরোধের মহীরুহ হয়ে ফিরে আসে।
ক্ষমতার দম্ভ এক ভঙ্গুর কাঁচের প্রাসাদ—যা বাইরের ঝড়ে নয়, ভেতরের অবিচারের চাপে নিজেই চূর্ণ হয়।
যারা ইতিহাসকে স্তব্ধ করতে চেয়েছিল, মহাকালের নিষ্ঠুর পরিহাসে আজ তারা ইতিহাসের পাদটীকাতেও অনুপস্থিত।

দর্শনের অগ্নিস্নান ও চেতনার সংহতি

ইতিহাসের পুনর্জন্ম কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; এটি এক দার্শনিক অনিবার্যতা।
সক্রেটিসের হেমলক পান দর্শনের পরাজয় নয়—তার রাজকীয় অভিষেক।
জিওর্দানো ব্রুনোর চিতার শিখা ছিল সত্যের অগ্নিস্নাত মুক্তি।
যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়া ও কারবালার তপ্ত বালুকা প্রমাণ করে—রক্তের আখরে লেখা সত্য কখনো মুছে যায় না।
ঘাতকের শাণিত অস্ত্র কেবল রক্তমাংসের অবয়বকে বিদীর্ণ করতে পারে;
কিন্তু ভেতরে স্পন্দিত মুক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো প্রযুক্তি আজও স্তব্ধ করতে পারেনি।
রাষ্ট্রের নৈতিক চ্যুতি ও নব-প্রাতঃকাল
রাষ্ট্র তখনই অর্থবহ, যখন সে নাগরিকের ভিন্নমতকে অলঙ্কার হিসেবে ধারণ করে।
যে রাষ্ট্র প্রশ্নকে অপরাধে রূপান্তরিত করে, সে নিজের মৃত্যুপরোয়ানায় স্বাক্ষর দেয়।

শাসন ও শোষণ একার্থক নয়।

শোষণের স্তম্ভ দাঁড়িয়ে থাকে ভয়ের নড়বড়ে ভিত্তির ওপর।
ভয়ের ধর্ম একটাই—একদিন তা সাহসে রূপান্তরিত হবেই।
সেই রূপান্তরের মাহেন্দ্রক্ষণেই জন্ম নেয় নতুন ইতিহাস।
নতুন ইতিহাস মানে কেবল ক্ষমতার স্থানবদল নয়;
এটি সামষ্টিক চেতনার আমূল রূপান্তর—যেখানে প্রশ্ন হবে পবিত্রতম ইবাদত এবং ভিন্নমত হবে গণতন্ত্রের সর্বোচ্চ উত্তরাধিকার।

উপসংহার:

মহাকালের অমোঘ রায়
ইতিহাসের চূড়ান্ত রায় কখনো ঘাতকের পক্ষে যায় না।
কারাগার, বুলেট, ফাঁসিকাষ্ঠ—সবই নশ্বর।
কিন্তু মানুষের স্মৃতি এক অপরাজেয় শক্তি।
স্মৃতি যখন বিদ্রোহে রূপ নেয়, তখন কোনো রাষ্ট্রীয় খড়্গ তাকে রুখতে পারে না।
একজন শহীদের পতন মানে একটি প্রজন্মের জাগরণ।
একটি স্তব্ধ কণ্ঠ মানে হাজারো বজ্রকণ্ঠের অভ্যুদয়।
“যতবারই হত্যা করো, জন্মাবো আবার”— এটি প্রতিশোধের ভাষা নয়, এটি সত্যের উত্তরাধিকার।
মানবের শরীর নিথর করা যায়—সংকল্পকে নয়।
বর্তমান রুদ্ধ করা যায়—ভবিষ্যৎকে নয়।
দম্ভের পরিণতি বিসর্জন।
ইতিহাসের ধর্ম পুনরুত্থান।
হত্যা নয়—ন্যায়ই স্থায়িত্বের চাবিকাঠি।
ভয় নয়—স্মৃতিই চূড়ান্ত শক্তি।
মৃত্যু নয়—পুনরুত্থানই মানবসভ্যতার শেষ কথা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2024 আমাদের চ্যানেল
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: CloudVai-ক্লাউড ভাই