1. admin@amaderchannel.online : admin :
  2. nnsabiha@gmail.com : Sabiha Akter : Sabiha Akter
  3. glil.ashulia@gmail.com : Bismillah Rafsan : Bismillah Rafsan
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
হাকালের দর্পণে নারী: রাজনীতির কুয়াশা ও শাশ্বত অধিকারের লড়াই,আশরাফুল আলম তাজ বেশ্যা, খানকি, মাগী, নডি, যে যাই বলুন আমার গায়ে লাগে না, মানসুরা রিনা হালুয়া রুটি জিন্দাবাদ, প্রকৌশলী তফিজ উদ্দিন দিনাজপুরে হক ভান্ডার দরবার শরীফের ওরশ মাহফিল সম্পন্ন তালিমতত্ব ছয় লতিফার পরিচয় ও জিকির, সংগ্রহে অধম হোসেন আল্লাহকে চিনতে কামেল মুর্শিদের গুরুত্ব: শিক্ষিত পরিবারের শিশুদেরও প্রাইভেট পড়াই বাহিরে শিক্ষকদের কাছে, অধম হোসেন বাঙালির ঐতিহ্য সবেবরাতে হালুয়া–রুটি: মানবতার অনন্য নিদর্শন, অধম হোসেন ভোট, বিবেক ও ইতিহাসের দায়, আশরাফুল আলম তাজ পাগাড় টঙ্গীতে বাংলাদেশ তরিকত পরিষদ (বিটিপি) সদস্যের বাসায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ তরিকত পরিষদের দিনাজপুর জেলা কমিটি গঠিত
ব্রেকিং নিউজ:
হাকালের দর্পণে নারী: রাজনীতির কুয়াশা ও শাশ্বত অধিকারের লড়াই,আশরাফুল আলম তাজ বেশ্যা, খানকি, মাগী, নডি, যে যাই বলুন আমার গায়ে লাগে না, মানসুরা রিনা হালুয়া রুটি জিন্দাবাদ, প্রকৌশলী তফিজ উদ্দিন দিনাজপুরে হক ভান্ডার দরবার শরীফের ওরশ মাহফিল সম্পন্ন তালিমতত্ব ছয় লতিফার পরিচয় ও জিকির, সংগ্রহে অধম হোসেন আল্লাহকে চিনতে কামেল মুর্শিদের গুরুত্ব: শিক্ষিত পরিবারের শিশুদেরও প্রাইভেট পড়াই বাহিরে শিক্ষকদের কাছে, অধম হোসেন বাঙালির ঐতিহ্য সবেবরাতে হালুয়া–রুটি: মানবতার অনন্য নিদর্শন, অধম হোসেন ভোট, বিবেক ও ইতিহাসের দায়, আশরাফুল আলম তাজ পাগাড় টঙ্গীতে বাংলাদেশ তরিকত পরিষদ (বিটিপি) সদস্যের বাসায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ তরিকত পরিষদের দিনাজপুর জেলা কমিটি গঠিত
আজ ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি , ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দায়ভাগা আইন অনুযায়ী হিন্দু উত্তরাধিকার: স্ত্রী, বিবাহিতা ও অবিবাহিতা কন্যার সম্পত্তির অধিকার, কাইয়ুম সরকার

  • Update Time : বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৪৪ Time View

 

দায়ভাগা আইন অনুযায়ী হিন্দু উত্তরাধিকার: স্ত্রী, বিবাহিতা ও অবিবাহিতা কন্যার সম্পত্তির অধিকার
– কাইয়ুম সরকার

 

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে আজও মূলত শাস্ত্রীয় দায়ভাগা (Dayabhaga) আইন অনুসরণ করা হয়। এই আইনে উত্তরাধিকার নির্ধারণ করা হয় সপিণ্ড সম্পর্ক ও মৃত ব্যক্তির পারলৌকিক কার্য (পিণ্ডদান)-এর অধিকারকে ভিত্তি করে।
দায়ভাগা আইন অনুযায়ী একটি বাস্তব পরিস্থিতি
একজন হিন্দু পুরুষ মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেছেন—

তার স্ত্রী (বিধবা)

দুই কন্যা সন্তান

একজন বিবাহিতা, যার একজন পুত্র সন্তান আছে

অন্যজন অবিবাহিতা

এখন প্রশ্ন হচ্ছে—

দায়ভাগা আইন অনুযায়ী সম্পত্তি কীভাবে বণ্টিত হবে?

বিবাহিত কন্যার পুত্র সন্তানের উপস্থিতি কি অবিবাহিতা কন্যার অধিকারে কোনো প্রভাব ফেলবে?

দায়ভাগা আইনের মূল নীতি (সংক্ষেপে)

দায়ভাগা মতে—

উত্তরাধিকার জন্মসূত্রে নয়, মৃত্যুর পর সৃষ্টি হয়

প্রথমে পুরুষ সপিণ্ডদের (পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র) খোঁজা হয়

তারা না থাকলে পর্যায়ক্রমে স্ত্রী, কন্যা ও অন্যান্য উত্তরাধিকারী আসে

নারীরা সাধারণত সীমিত স্বত্ব (life interest) পান

১: পুরুষ সপিণ্ডের অনুপস্থিতি

এই ঘটনায় মৃত ব্যক্তির—

কোনো পুত্র নেই

কোনো পৌত্র বা প্রপৌত্র নেই

অতএব দায়ভাগা অনুযায়ী পুরুষ সপিণ্ডের ধাপটি বাদ যায় এবং উত্তরাধিকার পরবর্তী স্তরে অগ্রসর হয়।
২: বিধবা স্ত্রীর অধিকার

দায়ভাগা আইনে পুরুষ সপিণ্ড না থাকলে বিধবা স্ত্রী প্রথম উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন।

স্ত্রী মৃত স্বামীর সমগ্র সম্পত্তির দখল ও ভোগের অধিকার পাবেন
এই অধিকার হবে জীবনস্বত্ব (Life Estate)
তিনি সাধারণত সম্পত্তি বিক্রি, দান বা স্থায়ীভাবে হস্তান্তর করতে পারবেন না (বিশেষ আইনি প্রয়োজন ছাড়া)

অর্থাৎ, স্ত্রী জীবিত থাকাকালীন সম্পত্তির উপর তার অধিকার কার্যকর থাকবে।
৩: কন্যাদের অধিকার (স্ত্রীর মৃত্যুর পর)

বিধবার মৃত্যুর পর দায়ভাগা অনুযায়ী কন্যারা উত্তরাধিকারী হন।
কিন্তু দায়ভাগা আইনে কন্যাদের মধ্যেও একটি অগ্রাধিকার ক্রম আছে।

কন্যাদের অগ্রাধিকার ক্রম (দায়ভাগা মতে)

অবিবাহিতা কন্যা

বিবাহিতা কন্যা

এই ক্রমটি শাস্ত্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত। কারণ দায়ভাগা মতে অবিবাহিতা কন্যা এখনও পিতৃগৃহের সদস্য হিসেবে গণ্য হন এবং পিতার পারলৌকিক কার্যে তার ধর্মীয় সম্পর্ক বেশি ঘনিষ্ঠ বলে ধরা হয়।

বিবাহিত কন্যার পুত্র সন্তানের প্রভাব: আইন কী বলে?

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি আসে—

বিবাহিত কন্যার একজন পুত্র সন্তান আছে—এই কারণে কি অবিবাহিতা কন্যার অধিকার ক্ষুণ্ন হবে?
স্পষ্ট উত্তর: না, কোনো প্রভাব পড়বে না
দায়ভাগা আইন অনুযায়ী—
কন্যার পুত্র (দৌহিত্র) সরাসরি উত্তরাধিকারী নন

তিনি উত্তরাধিকার পান প্রতিনিধিত্ব (representation) নীতিতে, অর্থাৎ তার মা যদি উত্তরাধিকারী হওয়ার আগেই মারা যান,কিন্তু যখন কন্যা নিজেই জীবিত ও যোগ্য, তখন তার পুত্রের কোনো স্বতন্ত্র দাবি থাকে না
অতএব—অবিবাহিতা কন্যা জীবিত থাকলে
এবং তিনি উত্তরাধিকার গ্রহণে সক্ষম হলে
বিবাহিত কন্যা ও তার পুত্র—দুজনই অপেক্ষমাণ অবস্থানে থাকবেন।
বণ্টন (দায়ভাগা অনুযায়ী)
শাস্ত্রীয় বাস্তব ফলাফল হবে—

প্রথম পর্যায়:

স্ত্রী :সমগ্র সম্পত্তি (জীবনস্বত্ব)

দ্বিতীয় পর্যায় (স্ত্রীর মৃত্যুর পর):

অবিবাহিতা কন্যা :সমগ্র সম্পত্তি

বিবাহিত কন্যা:অবিবাহিতা কন্যা জীবিত থাকা পর্যন্ত কোনো অংশ পাবেন না

বিবাহিত কন্যার পুত্র:তার মা বজীবিত থাকলে কোনো অধিকার নেই
দায়ভাগা আইন অনুযায়ী এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অবিবাহিতা কন্যার অগ্রাধিকার
দৌহিত্র (কন্যার পুত্র)-এর সীমিত ও বিলম্বিত অবস্থান

সুতরাং বিবাহিত কন্যার পুত্র সন্তান থাকার কারণে অবিবাহিতা কন্যার উত্তরাধিকার কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।দায়ভাগা আইন এই ক্ষেত্রে অত্যন্ত স্পষ্ট ও ধারাবাহিক।

সমতার জন্য এখনো হাইকোর্টের নোটিশ চলমান।

#Bangladesh
#Dhaka
#Cumilla
#cumillanews

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2024 আমাদের চ্যানেল
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: CloudVai-ক্লাউড ভাই