
হালুয়া রুটি জিন্দাবাদ
– প্রকৌশলী তফিজ উদ্দিন
মোল্লাজি। হালুয়া রুটি কিতাবে খুঁজলে পাবেন না। বিদআত মনে হইবো। হালুয়া রুটি খুঁজতে হবে রান্না ঘরে রান্নার হাঁড়িতে। তাইলে যায়েজ মনে হইবো।
মোল্লাজী!! হালুয়া রুটি খাওয়া হারাম না হালাল? যদি কন হালাল। তাহলে শবেবরাতে হালুয়া রুটি গোস্ত ভূজা খাইলে আপনার এতো জ্বলে কেন? হালাল খাবার বিদআত বলার আপনি কে? শবেবরাতে হালুয়া রুটি উপমহাদেশের একটা সংস্কৃতি। এটা কোন ইবাদত না মোল্লাজি। এতোটুকু কমননেন্স না থাকলে ধর্মীয় ব্যাখ্যা দেন কেন? মুসলমানদের মধ্যে ফেতনা ফ্যাসাদ বৃদ্ধি করেন কেন?
ঘরের বিবি যদি রান্না করতে না জানে, তাহলে মোল্লাজির দাওয়াত রইলো- আমরা যারা শবেবরাতে হালাল খাদ্য- হালুয়া রুটি গোস্ত ভূনা খাই। তাদের বাড়িতে গিয়ে এই হালাল খাদ্য খাওয়ার।
এই তো কিছুদিন আগে হিন্দুদের মন্দিরে গিয়ে অনেকেই প্রসাদ খেয়েছেন। পাহারা দিয়েছেন। তখন বিদআত বা হারামের ফতোয়া কই ছিলো।
সুতরাং মোল্লার কথা না শুনে। শবেবরাতে বেশি বেশি হালুয়া রুটি নিজে খান। অপরকে দিন। প্রতিবেশিকে দিন। পারলে ফতোয়াবাজ মোল্লাদের দেখিয়ে দেখিয়ে খান। যাতে একটু লালা ঝরে। মনটা উতালা হয় হালুয়া রুটি খাওয়ার জন্য। এরপর মোল্লাজিকে হালুয়া রুটি গোস্ত ভূনা খেতে দিন। খাওয়া শেষ হলে সামনা সামনি বলতে সংকোচবোধ করলে অন্তত মনে মনে বলুন- হালাল খাদ্য- হালুয়া রুটি জিন্দাবাদ।
মাশাল্লাহ্। আলহামদুলিল্লাহ্। যাযাকাল্লাহু খায়রান।।
১৪ শাবান ১৪৪৭ হিজরি। ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
লেখক
প্রকৌশলী তফিজ উদ্দিন
Leave a Reply