1. admin@amaderchannel.online : admin :
  2. nnsabiha@gmail.com : Sabiha Akter : Sabiha Akter
  3. glil.ashulia@gmail.com : Bismillah Rafsan : Bismillah Rafsan
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
হাকালের দর্পণে নারী: রাজনীতির কুয়াশা ও শাশ্বত অধিকারের লড়াই,আশরাফুল আলম তাজ বেশ্যা, খানকি, মাগী, নডি, যে যাই বলুন আমার গায়ে লাগে না, মানসুরা রিনা হালুয়া রুটি জিন্দাবাদ, প্রকৌশলী তফিজ উদ্দিন দিনাজপুরে হক ভান্ডার দরবার শরীফের ওরশ মাহফিল সম্পন্ন তালিমতত্ব ছয় লতিফার পরিচয় ও জিকির, সংগ্রহে অধম হোসেন আল্লাহকে চিনতে কামেল মুর্শিদের গুরুত্ব: শিক্ষিত পরিবারের শিশুদেরও প্রাইভেট পড়াই বাহিরে শিক্ষকদের কাছে, অধম হোসেন বাঙালির ঐতিহ্য সবেবরাতে হালুয়া–রুটি: মানবতার অনন্য নিদর্শন, অধম হোসেন ভোট, বিবেক ও ইতিহাসের দায়, আশরাফুল আলম তাজ পাগাড় টঙ্গীতে বাংলাদেশ তরিকত পরিষদ (বিটিপি) সদস্যের বাসায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ তরিকত পরিষদের দিনাজপুর জেলা কমিটি গঠিত
ব্রেকিং নিউজ:
হাকালের দর্পণে নারী: রাজনীতির কুয়াশা ও শাশ্বত অধিকারের লড়াই,আশরাফুল আলম তাজ বেশ্যা, খানকি, মাগী, নডি, যে যাই বলুন আমার গায়ে লাগে না, মানসুরা রিনা হালুয়া রুটি জিন্দাবাদ, প্রকৌশলী তফিজ উদ্দিন দিনাজপুরে হক ভান্ডার দরবার শরীফের ওরশ মাহফিল সম্পন্ন তালিমতত্ব ছয় লতিফার পরিচয় ও জিকির, সংগ্রহে অধম হোসেন আল্লাহকে চিনতে কামেল মুর্শিদের গুরুত্ব: শিক্ষিত পরিবারের শিশুদেরও প্রাইভেট পড়াই বাহিরে শিক্ষকদের কাছে, অধম হোসেন বাঙালির ঐতিহ্য সবেবরাতে হালুয়া–রুটি: মানবতার অনন্য নিদর্শন, অধম হোসেন ভোট, বিবেক ও ইতিহাসের দায়, আশরাফুল আলম তাজ পাগাড় টঙ্গীতে বাংলাদেশ তরিকত পরিষদ (বিটিপি) সদস্যের বাসায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ তরিকত পরিষদের দিনাজপুর জেলা কমিটি গঠিত
আজ ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি , ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কারামতে হযরত অলেক শাহ্ বাবা রহঃ – সাইয়েদুর রহমান (বি.এস.সি)

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৮ Time View

 

কারামতে হযরত অলেক শাহ্ বাবা রহঃ – সাইয়েদুর রহমান (বি.এস.সি)
জীবনের বাস্তবতা থেকে কিছু ম্মৃতি লিখা, আমরা যাকে অলেক পাগলা বলে ডাকতাম তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ মজ্জুব পাগল আমার চোখে দেখা একজন আল্লাহ ওয়ালা জিন্দাওলী। আজ অনেক দিন পর অলেক শাহ্ বাবার একটি স্মৃতি মনে পড়ে গেলো, হৃদয়ের তারনায় আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি যখন ক্লাস পঞ্চম শ্রেণীতে অথবা ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ি অর্থাৎ ১৯৮৫ কিংবা ৮৬ সাল হবে, ক্লাস ছুটির পর আমরা অনেকে বাহির হয়ে আসলাম সেই অলেক শাহ্ রহঃ ওরুফে অলেক পাগলা একজনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে বলতে থাকলো তার বাড়িতে আগুন লাগছে, তার বাড়িতে আগুন লাগছে! নাম ধরে ধরে বলছে পাগলা। আমার মনে হল এই বাড়ি থেকে কেউ কিছু বলেছে, অথবা পাগলকে মেরেছে । আল্লাহর কি কুদরত! পাগলের পাগলী লীলা খেলা বুঝা বড় দায়! দেখা গেল যে কয়েক মাস পর সেই বাড়ির ঘরগুলো আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল। তার কয়েক মাস পর ঐ ব্যক্তির একটি বোবা সন্তান হারিয়ে গেল । শুধু তাই নই, এর কয়েক বছর পর ঐ ব্যক্তি মারা গেলেন! ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। তাই পাগল কখন কোন হালে থাকে না বুঝে পাগলের সাথে কেউ বেয়াদবী করবেন না। আল্লাহর মাহবুব বান্দা পীর, ফকির, ওলী আওলিয়াদের সাথে বেয়াদবী করলে সয়ং আল্লাহ নিজে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন, সুবহানাল্লাহ্!

অলেক শাহ্ রহঃ কে আমরা মামা বলে ডাকতাম। সাথে সাথে ঘুরতাম গ্রামে আসলে, তিনি দুটো কথা বলতেন অভাব! বিচার নাই!!, অভাব! বিচার নাই!! এর বাইরে তেমন কিছু বলতে শুনা যেতো না।
কারো বাড়িতে নিজের ইচ্ছায় যেতেন, আবার কারো বাড়িতে জোর করেও নিতে পারতো না। ইচ্ছে হলে কারো কাছে মনে চায় টাকা, পয়সা, খানাপিনা চাউল চাইত, আবার কেউ জোর করেও কোন কিছু খাওয়াতে কিংবা দিতে পারতো না। অলেক শাহ্ রহঃ ২০০২ ইং সালে প্রায় ২৩ বছর আগে, ওনার ওফাতের বছর বর্ষার সময়ে নৌকা নিয়ে মুলগ্রাম এসেছিলেন এবং তার সাথে একটি লম্বা লোক ছিল। এসেই আমার ফারজানা লাইব্রেরীতে গিয়ে বসে বলতে থাকলো যে তাড়াতাড়ি কাইতন দে! (কালো সুতা) এই পাগলের মুখের কথা বুঝতে অনেক কষ্ট হতো। যাহোক আমরা সুতা দিলাম, পাগল সুতাটিতে অনেক গুলো গিট্টু দিয়ে বললেন এটি দোকানে রেখে দিবি, আর বাড়িতে তুর মাকে বলবি চাউল দিতে। পাগলের সাথে থাকা লোকটিকে আমাদের বাড়িতে পাঠালাম। আমার আম্মা প্রায় ২০ কেজির মত চাউল তাকে দিয়ে দিলেন, সেই চাউল নেওয়ার প্রায় তিন মাস পরে শীতের সময় অলেক শাহ রহঃ ওফাত লাভ করেন। সেই দেখাই যে পাগলের সাথে শেষ দেখা হবে তা কোনদিন ভাবতে পারিনি। হযরত অলেক শাহ বাবার সেই শেষ স্মৃতি আজ মনে পড়লো তাই লিখে দিলাম। এটা হচ্ছে আমার বাস্তব জীবনের কথা, মানুষ পাগল হতে পারে কেউ কাউকে ছোট করে দেখা যাবে না, আজ প্রায় ২৩ বছর যাবৎ যাব যাব বলি কিন্তু সুযোগ হয় না। এবারই মালিক কবুল করলেন, গেলাম অলেক শাহ্ রহঃ বাবার পাক দরবারে । অবাক হলাম দেখে, যে প্রত্যেকটা লোক যার যার মত করে সবাই খাবার খাচ্ছে, মেলায় বসেছে, কেউ মাজারে ঢুকে মাজার জিয়ারত শেষে বের হয়ে যাচ্ছে কারো কোন সমস্যা নেই, জাতি, ধর্ম, বর্ণের কোন ভেদাভেদ নেই। এখানে সাম্যের সীমাহীন অবস্থান দেখলাম, যেখানে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সমারোহে মূখরিত আলোকিত আল্লাহর ওলী অলেক শাহ্ বাবার পাক দরবার শরীফ! সুবহানাল্লাহ্

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2024 আমাদের চ্যানেল
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: CloudVai-ক্লাউড ভাই